RUPCARE https://rupcare.com First Bangladeshi Lifestyle Site Mon, 06 Apr 2020 08:00:46 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.3.2 করোনা ভালবাসা! নবদম্পতি! https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%bf/ Mon, 06 Apr 2020 08:00:46 +0000 http://rupcare.com/?p=34264

কাশিফ চৌধুরী ও নাইলা শেরিন। তারা দুজনই যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। দুজনই চিকিৎসক। দুজনই মুসলিম। একে অন্যকে ভালবাসেন দীর্ঘদিন ধরে। তাদের স্বপ্ন ছিল বেশ ধুমধাম করে বিয়ে করবেন। বিয়ের পর কি কি করবেন এবং হানিমুনে কোথায় যাবেন, তাও ঠিক ছিল।

কিন্তু সেই স্বপ্নে হানা দেয় করোনা ভাইরাস । তারা যখন বুঝে ওঠেন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে খারাপের দিকে যাচ্ছে, তখন আগের সব পরিকল্পনা বাতিল করেন। সিদ্ধান্ত নেন সাদামাটা ভাবেই তারা বিয়ে করবেন। এবং কিছুদিন আগে তারা নিউ জার্সির একটি মসজিদে গিয়ে তারা বিয়ে করেন।

বিস্ময়কর হল, যে বিয়ের জন্য তাদের এত স্বপ্ন, এত আকুলতা, সেই বিয়ের পর তারা মাত্র ১০ ঘণ্টার মত একত্রে ছিলেন। এরপর তারা দুজনই দুইদিকে চলে যান, মানবতার সেবায় নিবেদিত হয়ে। শেরিন চলে যান নিউ ইয়র্কে এবং কাশিফ যান আইওয়া অঙ্গরাজ্যে। করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় তারা আত্মনিয়োগ করেন।

নাইলা শেরিন বলেন, আমাদের স্বপ্ন, আনন্দ- এসব এখন তুচ্ছ বিষয়। ডাক্তার হিসেবেতো বটেই, একজন মানুষ হিসাবেও এখন আমাদের উচিত করোনা রোগীদের চিকিৎসা করা। তিনি আরো বলেন, নিউ ইয়র্কে এখন ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ। ডাক্তাররাও আক্রান্ত হচ্ছেন, মারাও যাচ্ছেন। যদি মরে যাই, গেলাম। তবুও সান্ত্বনা থাকবে, মানুষকে বাঁচাতে গিয়েই জীবন দিয়েছি। আর যদি বেঁচে থাকি তাহলে এমন আনন্দতো আমরা করতেই পারবো।

অন্যদিকে কাশিফ চৌধুরী বলেন, আমরা দুজনে মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চিকিৎসা একটি মহৎ পেশা। নিজেকে যদি মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে না পারি তাহলে কিসের চিকিৎসক হলাম? এ মুহূর্তে দুজনের একসাথে থাকার চেয়ে করোনা রোগীদের পাশে থাকাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।

ভালবাসার বিয়ে। স্বপ্নের বিয়ে। অথচ বিয়ের পর ২৪ ঘন্টাও তারা একত্রে কাটালেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ওরা করোনা রোগীদের চিকিৎসার্থে চলে গেলেন দুই অঙ্গরাজ্যে। ওরা নিশ্চিত নন বেঁচে থাকবেন কিনা এবং এ-জীবনে আর দেখা হবে কিনা? মহান স্রষ্টার কাছে করজোড়ে প্রার্থনা, “এই মানবতাবাদী নব-দম্পতিকে তুমি বাঁচিয়ে রেখো এবং মিলন ঘটিয়ে দিও।”

তথ্য-চিত্র: এম আর ফারজানা

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

]]>
আমি ভয় পাচ্ছি, ভীষণ ভয় পাচ্ছি https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%ad%e0%a7%9f-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%bf-%e0%a6%ad%e0%a7%80%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%ad%e0%a7%9f-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d/ Mon, 06 Apr 2020 07:51:19 +0000 http://rupcare.com/?p=34261

করোনা ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য হলো অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ এটা। জি এক সময় সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়বে। আজ সিলেটে একজন ডাক্তার কোভিড ১৯ পজিটিভ পাওয়া গেলো। তাহলে এখন চিন্তা করুন, গত কয়দিনে কারা কারা তাঁর সংস্পর্শে এসেছিলেন। সবাই কোয়ারেন্টিনে চলে যান নিজে থেকে।

সময় এখন এমনই। নিজেকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারো জন্য অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করার সময় নেই। সিলেটে বিদেশ থেকে আগত মানুষের সংখ্যা সবসময়ই বেশী।

বিশ্বাস করুন, আমি গতকাল থেকে ভীষণ ভয় পাচ্ছি। মিরপুরে থাকি। মিরপুর আর বাসাবো ক্লাস্টার জোন এখন।

আমি ভয় পাচ্ছি কারণ পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে চলেছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে আক্রান্ত হবার সংখ্যা। একদম তীব্র বেগে বাড়বে।

আমি ভয় পাচ্ছি কারণ আমরা সচেতন নই। সবাই সব শুনছি, দেখছি আর ভাবছি আমারতো হয়নি। আর যার হয় হোক, আমি তো ভাল আছি। আপনিও ভাল থাকতে পারবেন না, কখনোই পারবেন না। হলফ করে বলছি আমি….

আমি ভয় পাচ্ছি কারণ আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে চিকিৎসা সামগ্রী নেই। আপনি অসুস্থ হয়ে আসলে ভেন্টিলেটর পাবেন কিনা সন্দেহ আছে। অনেক মানুষ আক্রান্ত হলে কে কাকে কোথায় চিকিৎসা দেবে? আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। আইসিইউ চিকিৎসক এত কোথায় পাবো?

আমি ভয় পাচ্ছি কারণ আপনারা কেউ মালুম করছেন না গুরুত্ব।

এখনো টাটকা ফল, সব্জি কিনতে বাজারে যাচ্ছেন। এখনো চায়ের দোকানে করোনা নিয়ে বিজ্ঞ মতামত দিচ্ছেন। আপনারা স্বাভাবিক জীবন যাত্রার মান বাজায় রাখতে সচেষ্ট। বিশ্বাস করুন এটা যুদ্ধাবস্থা। একটু মানতে চেষ্টা করুন এখন এসবের চেয়ে ঘরে থাকাটা জরুরী। লবন দিয়ে ডলে ভাত খেলেও ঘরে থাকুন।

আমি ভয় পাচ্ছি কারণ সামনে শবেবরাত। রাতভর এবাদত বন্দেগি করতে আপনারা মসজিদে নফল নামাজ আদায় করতে যাবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকবে না। ঘরে নামাজ পড়ুন। আপনার নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, সমাজের জন্য, দেশের জন্য।

আমি ভয় পাচ্ছি কারণ এখনো আমরা আসলে কতজন আক্রান্ত সেই হিসাব জানি না। আসলেই আমরা কোন পর্যায়ে আছি সেটা জানি না। আরো কতজন কোভিড ১৯ পজিটিভ হয়ে আমাদের সাথে মিশে আছেন আমরা জানি না। এমনকি আমি নিজেই আক্রান্ত কিনা তাও জানি না। বাহাদুরি করার সময় এটা নয়। প্লিজ ঘরে থাকুন।

আমি ভয় পাচ্ছি কারণ আমাদের অনেক মানুষ গ্রামে থাকে,তারা এসব সম্বন্ধে তেমন কিছুই জানে না। তাদের জীবনযাপন রোজকার মতই চলছে। তারা সচেতন হবার সুযোগ নেই। গতকাল যারা দলে দলে চাকরির জন্য, জীবিকার জন্য, বেতনের জন্য ঢাকা অভিমুখে এলেন, তারা কতজন পজিটিভ আমরা জানি না।

আমি ভয় পাচ্ছি কারণ আমরা উটপাখির মত বালিতে মুখ গুঁজে থাকি আর ভাবি সব ঠিকঠাক। বিশ্বাস করুন কিছুই ঠিক নেই, আর ঠিক থাকবে না কিছুই।

স্বস্তির কথা হলো গনস্বাস্থ্যের টেষ্ট করার কিটের কাঁচামাল এসে পৌঁছেছে। আগামী এগারো তারিখে ইনশাআল্লাহ এগুলো হস্তান্তর হবে। আশাবাদী হই…. বিশাল পরিসরে টেষ্ট করা যাবে।

আশাবাদী হই ১৪’এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বেড়েছে। ছুটি শব্দটার সাথে আবার আনন্দ, মৌজ মাস্তি, ঘোরাঘুরি, আড্ডা জড়িয়ে থাকে। বিশ্বাস করুন এটা ছুটি নয়। আপনাদেরকে ঘরে রাখার প্রয়াস। ঘরে থাকুন।

যারা লুকিয়ে দোকানপাট খুলছেন, লুকিয়ে ঘুরছেন, পুলিশের সাথে চোরপলান্তি খেলছেন…. বিশ্বাস করুন আপনারা নিজেকেই ঠকিয়ে যাচ্ছেন অবিরত। সামাজিক দূরত্বে থাকুন।

যারা এখনো বিষয়টি অনুধাবন করতে পারছেন না, যারা নিয়মিতভাবে অনিয়ম করছেন…. বিশ্বাস করুন আপনারা নিজেকেই মৃত্যুর মিছিল সামিল করতে বদ্ধপরিকর। আমি ভয় পাচ্ছি, ভীষণ ভয় পাচ্ছি।

আপনারা ভয়ংকর রকমের সাহসী হবার অপপ্রয়াস করছেন। আপনারা বোকামি করছেন।

প্লিজ ভয় করুন আর ভয়কে জয় করতে দৃঢ় সংকল্প করুন। ভয় না পেলে সচেতনতা আসবে না। আর আপনারা সঠিক পথ চিনবেন না।
এটা আমাদের জন্য একটা অভিশপ্ত সময়। এটা আমাদের জন্য একটা ঘোর অমানিশা।

বিশ্বাস করুন আলো আসবেই…. ততদিন ভয়ে থাকুন, ঘরে থাকুন।

পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে সময় লাগবে না কিন্তু! তখন আপনারা ভয় পেয়েও আর কিছুই করতে পারবেন না। প্লিজ ঘরে থাকুন।

বারবার সাবান পানিতে কমপক্ষে বিশ সেকেন্ড হাত ধুয়ে নিন।

এমনটি নয় যে যা মনে চাইছে তাই করে এসে সাবান জলে শুদ্ধ হবেন।
এটা ভাবাটাও কিন্তু আত্মঘাতী!

আপনারা নিশ্চয়ই আত্মহত্যা করতে চান না। ঘরে না থাকলে সেটা হবে আত্মহত্যার নামান্তর।

আমি ভয়ে সিঁটিয়ে আছি। আমার দম আটকে আসছে। আপনাদের জন্য আমার ভীষণ ভয় করছে। আমার জন্য আমার ভীষণ ভয় করছে। আমি ভয়ে দিশাহারা হতে চাই না। মাথা শান্ত রেখে ভয়কে জয় করতে চাই। আপনারাও আসুন…. ভয়কে জয় করুন দৃঢ়তার সাথে।

শুভকামনা আপনার জন্য। সুন্দর পৃথিবীর জন্য একটু নিজেকে আড়াল রাখুন, একা থাকুন, ঘরেই থাকুন। আর সুদিনের প্রত্যাশাটুকু বাঁচিয়ে রাখুন।

#করোনা_ফ্যাক্ট

ফারহানা নীলা
সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগ

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।

(লেখকের ফেসবুক থেকে নেওয়া)

]]>
অবশেষে সৃজিত-মিথিলার বিয়ের ভিডিও প্রকাশ https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af/ Mon, 06 Apr 2020 07:40:38 +0000 http://rupcare.com/?p=34258

নতুন বিয়ের গন্ধ গা থেকে যায়নি। তার আগেই শুটিংয়ের কাজে আফ্রিকা পাড়ি দিয়েছিলেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। বাংলাদেশে ফেরেন মিথিলাও। কিন্তু তারপরেই করোনা সংক্রমণ রুখতে লকডাউন ঘোষণা হয়। সৃজিত দেশে ফিরে এলেও যোগাযোগ ব্যাবস্থা বন্ধও হয়ে যাওয়ায় ফিরতে পারেননি মিথিলা। এখন বাংলাদেশে গৃহবন্দি তিনি।

লকডাউনে কোথায় নিজেদের মত করে একান্তে সময় কাটাবেন, তা নয়। উল্টো কেউ কারও মুখও দেখতে পাচ্ছেন না। দাম্পত্যের শুরুতেই তাই ভরা বিরহের সুর সেলিব্রিটি দম্পতিকে ঘিরে।

স্বামীর কাছে না থাকলে রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় সৃজিতের প্রতি ভালোবাসা উজার করে দেন মিথিলা।

বিয়ের ছবি দিয়ে লেখেন, প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্রমাস তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ।

সেটা অবশ্য ছিল ট্রেলার। এরপর রাত গড়াতেই মিথিলার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে পোস্ট হল বহু প্রতীক্ষিত বিয়ের ভিডিও। মিথিলা লিখলেন, বসন্ত এসেছিল…

View this post on Instagram

Reminiscing better times…

A post shared by Rafiath Rashid Mithila (@rafiath_rashid_mithila) on

]]>
চট্টগ্রামে দোকান কর্মচারী করোনাক্রান্ত, লকডাউন পুরো সুপারশপ https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0/ Mon, 06 Apr 2020 07:31:01 +0000 http://rupcare.com/?p=34255

এক দোকান কর্মচারীর শরীরে করোনা ধরা পড়ায় একটি সুপারশপকে লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। সুপারশপটি চট্টগ্রামের অভিজাত সুপারশপ ‘দি বাস্কেট’। সেইসঙ্গে শপের মালিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাইকে সপরিবারে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন রায়। রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মচারীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

সুপারশপটির ম্যানেজার নেজাম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, গত শনিবার সকাল থেকে খুলশী থানা পুলিশের নির্দেশে তাদের প্রতিষ্ঠানটি লকডাউন করা হয়েছে। প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের করোনাভাইরাস আক্রান্ত প্রথম রোগীর ২৫ বছর বয়সী ছেলে বাস্কেটে ‘সেলস এক্সিকিউটিভ’ হিসেবে চাকরি করেন। সে কারণে নিরাপত্তামূলকভাবে শনিবার বাস্কেট বন্ধ করে পর রোববার সন্ধ্যায় ওই যুবকের শরীরে করোনা সংক্রামণ হওয়ার রিপোর্ট পাওয়ার কথা জানান চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি। বাস্কেটের ম্যানেজার নেজামউদ্দিন বলেন, আক্রান্ত কর্মী গত ২৫ মার্চ থেকে ছুটিতে আছেন। তারপরেও পুলিশের নির্দেশনা মেনে আমরা বাস্কেট বন্ধ করে দিয়েছি।

]]>
দেশে আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন ২৯ করোনা রোগী শনাক্ত https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a7%aa-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81/ Mon, 06 Apr 2020 06:51:59 +0000 http://rupcare.com/?p=34252

দেশে নতুন করে আরও ২৯ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মহাখালীতে সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে করোনা বিষয়ে আয়োজিত জরুরি সভায় এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মন্ত্রী আরও বলেন,
করোনা প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কমিটির প্রধান হলেও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্য কোন সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবহিত করা হয় না।

মন্ত্রী বলেন, করোনা থেকে দেশকে রক্ষায় সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। যার যা দায়িত্ব তা সঠিকভাবে পালন করার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, করোনা পরীক্ষায় ১ লাখ কিট দেশে চলে এসেছে। আরও কিছু দেশের পথে রয়েছে। চিকিৎসকদের সুরক্ষায় প্রচুর পিপিই ও মাস্ক তৈরি হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, করোনা চিকিৎসায় জেলা পর্যায়ে আইসোলেশন ওয়ার্ডসহ বেশ কয়েকটি হাসপাতাল প্রস্তুত আছে।

]]>
করোনায় দুদক পরিচালকের মৃত্যু, স্ত্রী-সন্তানরা আইসোলেশনে https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%83/ Mon, 06 Apr 2020 05:32:53 +0000 http://rupcare.com/?p=34249

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একজন পরিচালক আজ সোমবার সকালে মারা গেছেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. রেজাউল আলম প্রথম আলোকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের ওই পরিচালক রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মারা যাওয়া দুদক পরিচালক প্রশাসন ক্যাডারের ২২তম ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বেশ কিছু দিন ধরে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মো. রেজাউল আলম ও মারা যাওয়া দুদক পরিচালক প্রশাসন ক্যাডারের একই ব্যাচের কর্মকর্তা। মো. রেজাউল আলম প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে দুদকের ওই পরিচালক মারা যান। তিনি প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

দুদকের মারা যাওয়া কর্মকর্তার আরেক সহকর্মী প্রথম আলোকে বলেন, তাঁকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল রোববার তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয় বলে তাঁরা শুনেছিলেন। কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসব্যবস্থার প্রয়োজন হবে না বলে আশা করা হচ্ছিল। কিন্তু আজ ভোরে হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।

দুদকের এই কর্মকর্তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ১৭তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে কাজ করেন। স্ত্রী, সন্তানসহ ঢাকায় থাকতেন তিনি। তিনি অসুস্থ হওয়ার পর থেকে তাঁর স্ত্রী-সন্তান আইসোলেশনে আছেন।

গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ৮ মার্চ থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ৮৮। মারা গেছেন ৯ জন। সুস্থ ৩৩ জন।

]]>
রাজধানীর ২৯ স্থানে আর ১১ জেলায় করোনা রোগী শনাক্ত https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a7%a8%e0%a7%af-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%9c/ Sun, 05 Apr 2020 17:11:09 +0000 http://rupcare.com/?p=34246
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, আজ রোববার ৫ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে ৮৮ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকাতেই আক্রান্ত হয়েছেন ৫২ জন্য । এই ৫২ ব্যক্তির বাস রাজধানীর ২৯টি স্থানে। আর বাকি লোকজন দেশের ১১ জেলায় এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করেছে আইইডিসিআর।

সারা দেশে ৮৮ ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যাঁদের জেলার নাম বলা হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর ৫২ জনসহ ঢাকা জেলায় ৫৪ জন আক্রান্তের তথ্য দিয়েছে আইইডিসিআর। তবে সুনির্দিষ্টভাবে আক্রান্ত ৫২ জন কোথায় থাকতেন সেই এলাকার নাম বললেও ২ জন আক্রান্তের এলাকার নাম দেওয়া হয়নি।

রাজধানীর ২৯টি স্থানে ৫২ জন করোনা শনাক্ত হয়েছেন। স্থানগুলো হলো:

১. বাসাবোয়: ৯ জন।
২. মিরপুরের টোলারবাগ: ৬ জন।
৩. পুরান ঢাকার শোয়ারিঘাট: ৩ জন।
৪. বসুন্ধরা: ২ জন।
৫. ধানমন্ডি: ২ জন।
৬. যাত্রাবাড়ী: ২ জন।
৭. মিরপুর-১০: ২ জন।
৮. মোহাম্মদপুর: ২ জন।
৯. পুরোনো পল্টন: ২ জন।
১০. শাহ আলী বাগ: ২ জন।
১১. উত্তরা: ২ জন।

রাজধানীর বাকি ১৮টি স্থানে একজন করে করোনা রোগী পাওয়া গেছে। এ স্থানগুলো হলো বুয়েট এলাকা, সেন্ট্রাল রোড, ইস্কাটন, গুলশান, গ্রিনরোড, হাজারীবাগ, জিগাতলা, মিরপুর কাজীপাড়া, মিরপুর-১১, লালবাগ, মগবাজার, মহাখালী, নিকুঞ্জ, রামপুরা, শাহবাগ, উর্দু রোড ও ওয়ারী।

করোনার হানা যে ১১ জেলায়

১. ঢাকা: ৫৪ জন ।
২. মাদারীপুর: ১১ জন।
৩. নারায়ণগঞ্জ: ১১ জন।
৪. গাইবান্ধা : ৫ জন।

বাকি ৭ জেলায় একজন করে ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ জেলাগুলো হলো গাজীপুর, চুয়াডাঙ্গা, কুমিল্লা, কক্সবাজার, শরীয়তপুর, রংপুর ও চট্টগ্রাম।

]]>
পাটুরিয়া ফেরিঘাট! রিয়েলি? https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf/ Sun, 05 Apr 2020 15:14:59 +0000 http://rupcare.com/?p=34243
একটি পিকআপ ভ্যানের ভেতর অনেকগুলো ড্রাম, আর ড্রামের মধ্যে বসে আছে মাস্ক পরা মানুষ। এমনভাবে বসে আছে তারা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নাই; মনে হবে মাছ ভর্তি ড্রাম নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এমনই একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আজ বা গতকাল পাটুরিয়া ফেরি থেকে পিকআপটি নামার সময় ফেরির ওপর থেকে কেউ একজন ছবিটি তুলেছেন।

আজ সন্ধ্যা সাতটার দিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে লন্ডন প্রবাসী সিদ্দিকী নাজমুল আলম তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই দুইটি ছবি আপলোড দিয়ে লিখেছেন, ‘পাটুরিয়া ফেরিঘাট! রিয়েলি? রিয়েলি? কিছু বলার নাই।’

গতকাল ‘চাকরি বাঁচাতে’ কর্মস্থলমুখী মানুষের ঢল ঢল নেমেছিল পাটুরিয়া ফেরি ঘাট এলাকায়। ভিড় ঠাসাঠাসিতে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা নিয়েও অনেকেই কর্ম এলাকায় ফিরেছে।

এদিকে আজ থেকে করোনাভাইরাসের মহামারি নিয়ন্ত্রণে চলমান দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে জরুরি সেবার সঙ্গে নিয়োজিতরা ছাড়া রাজধানীকে কেন্দ্র করে মানুষের আগমন-বহির্গমন ঠেকাতে কঠোর হতে বলেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) জাবেদ পাটোয়ারী।

]]>
দেশে করোনায় ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়েছে যেসব এলাকাকে https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%ac/ Sun, 05 Apr 2020 11:04:42 +0000 http://rupcare.com/?p=34239

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ জন। এনিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮ জন। মারা গেলেন আরো একজন। এনিয়ে মোট ৯ জন মারা গেছেন। আজ রবিবার (৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। এসময় দেশের পাঁচটি অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়। যেগুলো বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

অঞ্চলগুলো হলো- রাজধানীর ঢাকার টোলারবাগ, বাসাবো, নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর ও গাইবান্ধা। সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যাও ছাড়িয়েছে ৬৪ হাজার।

]]>
করোনার মধ্যেই বিধবা শাশুড়িকে নিয়ে জামাই উধাও! https://rupcare.com/2020/04/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%81/ Sun, 05 Apr 2020 11:03:54 +0000 http://rupcare.com/?p=34236

বছর দেড়েক আগে ধর্ম জামাই-শাশুড়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাবালক সন্তানও রয়েছে তাদের। কিন্তু স্ত্রীকে ছেড়ে যে বিধবা ধর্ম শাশুড়ির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছেন জামাই আকারুল তা কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। শেষে সুযোগ বুঝে স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে বিধবা ধর্ম শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন আকারুল নামের জামাই। তারপর থেকে ৩ সন্তানকে নিয়ে অসহায় অবস্থা স্ত্রীর। এমনই ঘটনা ঘটেছে বৃস্পতিবার (২ এপ্রিল) ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গোপালপুর গ্রামে। জামাই আকারুল হোসেন (৪০) ওই গ্রামের মৃত মজিবর শেখের ছেলে ও শাশুড়ী আসমা খাতুন (৩৫) একই গ্রামের মৃত ফারুক হোসেনের স্ত্রী। জামাই আকারুল ইসলাম পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে রেখে বিধবা ধর্ম শাশুড়িকে নিয়ে পালানোর ঘটনায় ইতিমধ্যেই ওই গ্রাম ও আশেপাশের এলাকার সাধারন মানুষের মুখে মুখে সমালোচনা ও মুখরোচক গল্প হয়ে উঠেছে।

নিত্যানন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জানান, গত ৩মাস আগে ওদের বিষয় নিয়ে পরিষদে সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে তাদের সম্পর্ক নিয়ে কথা উঠে। তারা সমাজে সুন্দরভাবে বসবাস করবে এমন মুচলেকায় সালিম বৈঠক মিমাংশা হয়। তবে হুট করে এমন ন্যাক্কারজনক কাজ করবে কেউ ভাবতে পারেনি। ওদের সুষ্ঠু বিচার হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন।

শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বজলুর রহমান জানান, জামাই শাশুড়ি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কেউ থানায় কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

]]>