RUPCARE https://rupcare.com First Bangladeshi Lifestyle Site Tue, 19 Nov 2019 04:18:26 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.2.4 ‘প্রতিটা স্বামীর উচিত স্ত্রীকে প্রতিমাসে একটা হাত খরচ দেয়া’ https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/ Tue, 19 Nov 2019 04:18:26 +0000 http://rupcare.com/?p=25364

একটা মেয়ে তার নিজের সংসারে দৈনন্দিন যে কাজগুলো করে, সেটাকে যদি প্রকৃত অর্থে মূল্যায়ন করা হতো তবে মেয়েরা এত বহির্মুখী হতো না। এই সমাজ ব্যবস্থা “হাউজ ওয়াইফ” আইডেন্টিটিকে সঠিক মর্যাদা দিতে পারে না বলেই মেয়েরা নিজের “আইডেন্টিটি ক্রাইসিস”এ ভোগে। রান্না করা, সুন্দরভাবে সংসার গোছানো, আদর স্নেহ, সময়, প্রকৃত শিক্ষা দিয়ে সন্তানকে বড় করা এই কাজগুলো যে অফিসের গদবাধা কাজের থেকে অনেক চ্যালেঞ্জিং সেটা বুঝতে পারলে মেয়েরা এত আদরের সন্তানকে কাজের লোকের কাছে/ ডে কেয়ারে রেখে তথাকথিত ক্যারিয়ারের পিছনে ছুটতো না।

অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা ও অনেক বড় একটা কারণ মেয়েদের বহির্মুখীতার পিছনে। প্রতিটা স্বামীর উচিত তার নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে স্ত্রীকে প্রতিমাসে একটা হাত খরচ দেয়া, তার আগে স্ত্রী প্রতিদিন যে কাজটা করে সেটাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা।

আপনি প্রতিনিয়ত বলবেন “সারাদিন বাসায় বসে করোটা কি” সাথে সাথে চাইবেন নিজের আত্মসম্মান বিকিয়ে দিয়ে প্রতিদিন এই ধরনের কথা হজম করে একজন মেয়ে তার বাইরে কাজ করার যোগ্যতা থাকা সত্বেও সে ঘরে বসে থাকবে, এমন আশা করা ভুল।

আপনি বিতর্কে যেতেই পারেন কেন চাকরিজীবী মেয়েদের সন্তানেরা কি মানুষ হচ্ছে না, বা সব গৃহিণীদের সন্তানেরাই কি শুধু মানুষ হচ্ছে। সে তর্ক দীর্ঘ, আরেকদিন করবো।

আমি মেয়েদের স্বাবলম্বী হওয়ার সাথে ১০০% একমত, কিন্তু যদি সুযোগ না থাকে, বাচ্চাকে কাজের লোকের হাতে মার খাইয়ে, ভয়ংকর একটা ট্রমার মধ্যে বাচ্চাকে বড় করার মধ্যে কোনো সার্থকতা নেই।

দিন বদলাচ্ছে, আপনি বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি থেকে আলাদা থাকতে চাইবেন, রাতে ঘুমানোর সময়টুকু শুধু বাচ্চাকে দিবেন তাও আবার ওই সময়টুকু অফিসের পেরেশানিতে মন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকবে যার প্রভাব বাচ্চার উপর পড়বে, সাথে সাথে আশা করবেন দেশে বৃদ্ধাশ্রম থাকবে না সেটা হয় না।

অরিন তানবীনের ফেসবুক থেকে…

]]>
ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ নুসরাত, মুখ খুলছেন না কেউ https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%a8%e0%a7%81/ Tue, 19 Nov 2019 03:57:16 +0000 http://rupcare.com/?p=25361

ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ ও অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। জানা যায়, একসঙ্গে অনেক ওষুধ খেয়ে নেওয়ার কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েন নুসরাত। রবিবার (১৭ নভেম্বর) রাত ৯ টায় একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। এদিকে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবনের জন্য ফুলবাগান থানায় তাঁর ‘ড্রাগ ওভারডোজ’ নিয়ে রিপোর্টও করা হয়েছে।

জানা যায়, রবিবার নুসরাতের স্বামী নিখিলের জন্মদিন উপলক্ষে একটি পার্টির আয়োজন করা হয়। সেই পার্টি চলাকালীন সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন নুসরাত। নুসরাতের অসুস্থতা নিয়ে কোন প্রকার মন্তব্য করতে রাজি হয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে তার ঘুমের ওষুধ খাওয়ার কথাও উড়িয়ে দিয়েছে পরিবার। সোমবার (১৮ নভেম্বর) নুসরাতের স্বামী নিখিল বলেন, ‘সব ঠিক আছে। চিন্তার কিছু নেই। আজ সন্ধ্যার মধ্যে নুসরাত বাড়ি ফিরে যাবে। হাঁপানির সমস্যা বাড়ায় মারাত্মক শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এখন ভাল আছে নুসরাত।’

]]>
ক্যান্সারের পর বদলে গেছেন স্বামী! সোনালির আবেগঘন স্ট্যাটাস https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87/ Mon, 18 Nov 2019 18:09:53 +0000 http://rupcare.com/?p=25355

গত বছরের শুরুতে মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন একসময়ের সাড়াজাগানো বলি অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রে।

তবে সুচিকিৎসা আর নিজের দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কারণে ক্যান্সার জয় করে ফিরেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাকালীন স্বামী ও সন্তানকে সার্বক্ষণিক পাশে পেয়েছেন সোনালি। সে কথা টুইটার, ইনস্টাগ্রাম আর ফেসবুকে ভক্তদের জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বারবারই বলেছেন, মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। কিন্তু সেই সময় তার স্বামী গোল্ডি বেহেলই ছিল তার অনুপ্রেরণা ও জীবনের আলো। স্বামী তাকে সার্বক্ষণিক দেখভাল করতেন। তার অদম্য ভালোবাসাতেই ক্যান্সারকে হারিয়ে বেঁচে ফিরেছেন।

আর সেই স্বামীই নাকি এখন অনেকটা বদলে গেছেন। তিনি জানালেন, এখন নাকি তার স্বামী আগের মতো মস্তিষ্ক দিয়ে কাজ করেন না। মন থেকেও করছেন। আগের চেয়ে অনেক বেশি আবেগী আর রোমান্টিক হয়েছেন।

গত মঙ্গলবার ছিল সোনালি ও গোল্ডির ১৭তম বিবাহবার্ষিকী। আর এমন দিনেই তিনি স্বামীকে আগের সেই চেনা রূপে দেখেননি।

সে কথা জানাতে গত সপ্তাহে সোনালি বেন্দ্রে তার ইনস্টাগ্রামে লেখেন, ‘গত বছর এই দিনে আমরা নিউইয়র্কের হাসপাতালে ছিলাম। তখন থেকেই বেন্দ্রে ও বেহেল জীবনের দুটি অধ্যায় দেখেছে। একটি হলো ক্যান্সারের আগে। আর একটি ক্যান্সারের পরে। তখন থেকেই আমার ইচ্ছা এগিয়ে যাওয়া ও জীবনে নতুন কিছু করা। তাই ১৭তম বিবাহবার্ষিকীতে আমরা লং ড্রাইভে যাচ্ছি। ক্যান্সারের আগে গোল্ডি এসবে খুব একটা রাজি হতো না। কিন্তু সেরে ওঠার পর ও যেভাবে বদলে গেছে তাতে আমি অবাক। খুব ভালো লাগছে আমার।’

স্বামীর এটুকু প্রশংসা করেই ক্ষ্যান্ত হননি সোনালি।

গোল্ডির সম্পর্কে সোনালি আরও লেখেন, ‘গোল্ডির এখন প্রধান দায়িত্ব আমাকেই দেখভাল করা। কাজ, শখ ও অন্য সব দায়িত্ব থেকে এখন আমাকে বেশি গুরুত্ব দেয় সে। আমিও তার প্রতি আমার দায়িত্ব পালন করছি।’

এর পর স্বামীকে উদ্দেশ্য করে সোনালি লেখেন- ‘শুভ বিবাহবার্ষিকী। তুমি যতটা ভাবো তার চেয়ে কয়েক গুন বেশি তোমাকে ভালোবাসি আমি। আমার অসুস্থতায় এভাবে পাশে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ তোমাকে।’
স্বামীর বন্দনায় সোনালির এমন পোস্ট ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নেটিজেনরা এই পোস্ট দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

সবাই বিষয়টিকে যে বেশ ভালোভাবেই নিয়েছেন তা পোস্টের লাইক সংখ্যা ও কমেন্টে বোঝা যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে ১৩ হাজার লাইক পড়েছে পোস্টটিতে। কমেন্টে এই দম্পতিকে শুভকামনা আর অভিনন্দন জানাচ্ছেন। বলিমহলেও এ নিয়ে চলছে জল্পনা। অভিষেক বচ্চন, হৃতিক রোশনসহ আরও অনেকে এই পোস্টে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন সোনালিকে।

]]>
খুলনায় ফল ধরেছে কোরআনে বর্ণিত সেই তীন গাছে, দর্শনার্থীদের ভিড় https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/ Mon, 18 Nov 2019 18:03:56 +0000 http://rupcare.com/?p=25352

২০১১ সালে মিসর থেকে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমায় একটি তীন ফলের গাছ এনেছিলেন আবু মুহাম্মদ আসসাওয়াদফি আল ফিকাহ নামের এক ব্যক্তি।

শখের বসে আনা সেই গাছটি জলমার দাওহাতুল খাইর কমপ্লেক্স পরিচালিত সোসাইটি অব সোস্যাল রিফর্ম স্কুলের আঙ্গিনায় রোপণ করা হয়। দাওহাতুল খাইর কমপ্লেক্স এর পরিচালক সুফি সালাইমান মাসুদ গাছটি রোপণ করেন।

ধারণা করা হয়েছিল মরুভূমির এই গাছ বাংলাদেশের মাটিতে টিকবে না। কিন্তু সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করে গত ৮ বছরে তরতর করে বড় হয়েছে গাছটি। ফলও ধরেছে এর। স্থানীয়দের দাবি, এ গাছ বাংলাদেশে এই একটিই আছে।

গত কয়েক বছর ধরেই গাছটি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে লোক ছুটে আসছেন।

এর কারণ এই সেই তীন গাছ যার নামে পবিত্র কোরানে একটি সূরাই নাযিল হয়েছে। এই তীনের নামে মহান আল্লাহ তায়ালা শপথও করেছেন।

তাই মুসলমানদের কাছে এই তীন গাছ ও এর ফল একটু ভিন্ন অর্থ বহন করে।

সোসাইটি অব সোস্যাল রিফর্ম স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, তীন গাছকে দেখতে অনেকেই আসছেন। বিশেষকরে যখন ফল ধরে তখন স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাসহ দশনার্থী বেড়ে যায়।

উল্লেখ্য, কোরআনের ৩০তম পারার ৯৫ নম্বর সূরার প্রথম আয়াতে বর্ণিত সূরায় আল্লাহতায়ালা তীন গাছের নামে শপথ করেছেন।

সূরার প্রথম শব্দ তীন অনুসারে এ সূরার নামকরণ করা হয়েছে- সূরা আত-তীন।

তীনের বাংলা অর্থ আঞ্জীর বা ডুমুর। মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম এশিয়ায় এ ফলের উৎপাদন বাণিজ্যিকভাবে করা হয়।

সৌদি, কুয়েত, মিসরসহ আফগানিস্তান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত এই ফলের বাণিজ্যিক চাষ হয়ে থাকে।

দাওহাতুল খাইর কমপ্লেক্স এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা সানোয়ার হুসাইন বলেন, খুলনার আবহাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের এই গাছটি অন্যান্য গাছের মতোই বেড়ে উঠেছে। গাছটিতেও ফলও ধরেছে। গাছটির ফল আমি খেয়েছি। এটি অনেক সুস্বাদু।

ফলের আকার ডুমুরের চেয়ে বড়, খেতে মিষ্টি ও রসালো বলে জানান তিনি।

]]>
নাসিরের ‘প্রেমিকা’ সুবহা এবার চলচ্চিত্রে https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%be-%e0%a6%8f/ Mon, 18 Nov 2019 17:17:12 +0000 http://rupcare.com/?p=25348

রফিক সিকদার চলচ্চিত্র বানাবেন আর তাতে জলঘোলা হবে না তা তো হয় না। প্রথম চলচ্চিত্র ‘ভোলা তো যায় না তারে’ তে একাধিক নায়িকা পরিবর্তন করেছেন। ‘হৃদয়জুড়ে’ চলচ্চিত্রে নিজেই কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা সরকারকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বসেন।

এই নিয়ে দুই বাংলায় তুমুল শোরগোল। ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমও রফিক সিকদারকে নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। অবশ্য বরফ গলে গিয়েছিল। প্রিয়াংকা শর্ত সাপেক্ষে হৃদয়জুড়ের বাকি অংশের শুটিং করেছিলেন।

‘অশ্রুঘর’ নামে একটি চলচ্চিত্র বানানোর ঘোষণা দেন। সেখানে চিত্রনায়ক নিরবকে যুক্ত করেন। পরে দেখা যায় সেখানে যুক্ত হয়েছেন সাইমন ও অপু বিশ্বাস। রফিক সিকদারের এমন বিভিন্ন দিক উঠে আসলেও গল্প বলা ও চিত্রনাট্যে তিনি নিজের স্বকীয়তা রেখেছেন। যার প্রমাণ মেলে ‘ভোলা তো যায় না তারে’ চলচ্চিত্র দেখলেই। সমালোচক মহলের প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।

সিকদারের সর্বশেষ ‘বসন্ত বিকেল’ ছবিটিতে নিরব অভিনয় করছেন গণমাধ্যমকর্মীদের জানান রফিক সিকদার। আর নায়িকা হিসেবে নেওয়া হচ্ছে উষ্ণ নামের এক তরুণীকে। কিন্তু মাস না পেরোতেই কুশীলব পালটে গেল।

তাদের বদলে বসন্ত বিকেল ছবিটিতে যুক্ত হয়েছেন চিত্রনায়ক শিপন মিত্র। আর শিপনের নায়িকা হয়েছেন ক্রিকেটার নাসিরের ‘প্রেমিকা’ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত তরুণী সুবহা। এছাড়াও এতে অভিনয় করছেন তানভীর তনু।

বসন্ত বিকেল চলচ্চিত্রের পোস্টারে শিপন, সুবহা ও তনু। পোস্টার ডিজাইন করেছেন অর্নিল হাসান রাব্বি।

কুশীলব পরিবর্তন সম্পর্কে নির্মাতা রফিক সিকদার কালের কণ্ঠকে বলেন, কিছু জটিলতার কারণে নায়ক নায়িকার পরিবর্তন ঘটেছে। নিয়ম মেনেই এটা করেছি। আর চিত্রনাট্যের সঙ্গে যে কল্পনা করেছি তাতে সুবহা বেশ মানানসই। যার কারণে তাকে চলচ্চিত্রে নেওয়ার চিন্তা করি।

আগামী ২৩ নভেম্বর ছবিটির মহরত অনুষ্ঠিত হবে। আর সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ছবির দৃশ্যধারণের কাজ।

]]>
বাঁচার আকুতি নিয়ে ভাই-ভাবিকে ফাতেমার ফোন, ওরা আমাকে মেরে ফেলবে https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be/ Mon, 18 Nov 2019 16:56:15 +0000 http://rupcare.com/?p=25345

ফাতেমা আক্তার (১২)। ওর ইচ্ছে ছিল জজ-ব্যারিস্টার হয়ে মানুষের উপকার করবে। কিন্তু বখাটে মমিন আর তাঁর পরিবার ওর স্বপ্ন ধ্বংস করে দিল। কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলো বললেন, মুক্তিযোদ্ধা বাবা আবদুর রশিদ। পাশেই ছিলেন ফাতেমার মা লাইলী বেগম। তিনি মুখে কাপড় চাপা দিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলেন।

আবদুর রশিদ বলেন, মৃত্যুর দিন শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে লুকিয়ে বড় ভাই-ভাবিকে মোবাইল ফোনে ফাতেমা বলেছিল, মা-বাবাকে বলে আমাকে নিয়ে যাও, আমি পরীক্ষা দেব, ওরা পরীক্ষা দিতে দেবে না। আমাকে তিন বেলা খেতেও দিচ্ছে না, ওরা আমাকে মেরে ফেলবে—সেই রাতেই ওরা নির্যাতন করে আমার মেয়েটাকে মেরে ফেলে।

রোববার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা দীঘলকান্দি গ্রামে গিয়ে দেখা গেল মর্মস্পর্শী দৃশ্য। দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মায়াবতী কিশোরীটির স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে চোখের পানি ঝরাচ্ছেন প্রতিবেশীরাও।

এলাকার আশরাফ হোসেন, নাসির মিয়া, নওসাদ আলী বললেন, খুন না আত্মহত্যা আমরা বলতে পারি না। কিন্তু সবার প্রশ্ন—হাসিখুশি চঞ্চল মেয়েটির এ রকম পরিণতি কেন হলো? স্থানীয় এক নারী বললেন, ‘ওর মতো একটা মেয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেবে এটা অসম্ভব।

এলাকাবাসী ও নিহত ফাতেমার পরিবার সূত্র জানায়, গাইবান্ধার সাঘাটার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর দীঘলকান্দি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের মেয়ে কিশোরী ফাতেমা আক্তারকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন সাঘাটার দুর্গম দক্ষিণ দীঘলকান্দিচর গ্রামের সুরা হকের ছেলে বখাটে আব্দুল মমিন (২২)।

স্থানীয়রা জানান, সারা বছর নানা অপকর্মে যুক্ত মমিন নামকা ওয়াস্তে ফুলছড়ি সরকারি কলেজের ছাত্র ছিলেন। চলতি বছরের ২৬ আগস্ট বখাটে মমিনের ধোঁকায় পড়ে তাঁর হাত ধরে বাড়ি ছাড়ে ফাতেমা। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর কোর্টে এফিডেভিটের মাধ্যমে (বয়স বেশি দেখিয়ে) ফাতেমাকে বিয়ে করেন মমিন।

ফাতেমার বড় বোন সালমা বেগম জানান, দাম্পত্যের শুরু থেকেই ফাতেমার সংসার করার স্বপ্ন ধসে পড়তে শুরু করে। মাত্র দেড় মাসের সংসার জীবনে নানা অজুহাতে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করে স্বামী মমিন ও শাশুড়িসহ পরিবারের লোকজন। ফাতেমা এসএসসি পরীক্ষা দেবে কিংবা বাবা-মা, ভাই-বোনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে—এটা তারা মেনে নেয়নি।

আবদুর রশিদ বলেন, ঘটনার দিন গত ১২ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ফাতেমা তাঁর ভাবি ও বোনকে মোবাইল করলে ভাবি শাহিনুর বেগম, বড় বোন সালমা বেগম এবং আসমা বেগম ওই বাড়িতে যান। এ সময় তাঁদের সামনেই ফাতেমাকে বেধড়ক মারপিট করেন মমিন। এরপর আমরা গণ্যমান্যদের সঙ্গে আলোচনা করে সালিসের সময় ঠিক করি। কিন্তু ওই দিন রাতেই স্বামীর বাড়িতে শোবার ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো ফাতেমার মরদেহ পাওয়া যায়। এরপর মমিনসহ পরিবারের সবাই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। তিনি দাবি করেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কিন্তু পুলিশ হত্যা মামলা না নিয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনাদানের মামলা করতে তাঁদের বাধ্য করেছে।

এলাকাবাসী আপাতত প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও অনেকেই এটি ‘সাজানো আত্মহত্যা’র ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন। ফাতেমার ভাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী হামিদুর রহমান বলেন, ফাতেমার শরীরে ও গলায় যে ধরনের আঘাতের চিহ্ন দেখেছি তা থেকে সহজেই বোঝা যায় এটি হত্যাকাণ্ড। অথচ পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছেন।

অন্যদিকে, আসামি ধরার কথা বললেও আমাদেরকেই তাদের সন্ধান দিতে বলছেন। তবে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অনিমেশ চন্দ্র অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় গত ১৩ নভেম্বর একটি আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও সহায়তাদানের অভিযোগে মমিনসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

সাঘাটা থানার ওসি বেলাল হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

]]>
মিথিলাকে বিয়ে করতে ঢাকায় সৃজিত! https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a7%9f/ Mon, 18 Nov 2019 16:39:34 +0000 http://rupcare.com/?p=25342

কলকাতার আলোচিত নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে নিয়ে বাংলাদেশের অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার প্রেমের গুঞ্জন নতুন কিছু নয়। এবার এ প্রেমের গুঞ্জন গিয়ে দাঁড়িয়েছে বিয়েতে।

শোনা যাচ্ছে, দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিতেই তার ঢাকায় অবস্থান করা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডিসেম্বরে সৃজিত-মিথিলা বিয়ের প্রস্তুতিও নিয়েছেন।

গত মার্চে সংগীত শিল্পী অর্ণবের গানের একটি ভিডিওচিত্র নির্মাণ করেন সৃজিত। সেখানে মডেল ছিলেন মিথিলা। সেই কাজের সূত্রে দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এদিকে গত সেপ্টেম্বরে কলকাতায় সৃজিতের জন্মদিনের কেক কাটতে দেখা যায় মিথিলাকে। তাকে নিয়ে পূজামন্ডপও ঘুরেছেন সৃজিত।

শুধু তাই নয়, নেপালেও তাদের দুজনকে একসঙ্গে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি কলকাতার আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভালে সময় কাটাতে দেখা গেছে তাদের, ছবিও তুলেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী, শাহরুখ খানসহ অনেকের সঙ্গে।

সূত্র: পূর্বপশ্চিমবিডি

]]>
নিখিলের কারণে অসুস্থ নুসরাত? https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b8/ Mon, 18 Nov 2019 15:46:49 +0000 http://rupcare.com/?p=25335

ভারতীয় অভিনেত্রী এবং লোকসভার তৃণমূল দলীয় সাংসদ নুসরাত জাহান গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

জানা গেছে, রবিবার রাতে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় নুসরাত জাহানের। তারপর তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। রবিবার সন্ধ্যা থেকে নুসরাতের বাড়ি ছিল লোকজনে পরিপূর্ন। গতকাল ছিল নিখিলের জন্মদিন। বিয়ের পর নিখিলের জন্মদিন পালন নিয়ে উৎসাহ ছিল তুঙ্গে। হয়তো কাজের চাপে শরীরের দিকে খেয়াল রাখেননি নুসরাত জাহান। আর সেই কারণেই হয়তো মধ্যরাতেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি।

চিকিৎসকরা জানান, কোনও ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার জেরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন নুসরাত। সেই ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া স্বরূপই তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল। এছাড়া বেশ কিছুদিন ধরেই নুসরাতের শরীর খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না বলে জানা গেছে।

এদিকে, নুসরাতের অসুস্থতার খবর পেয়েই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি খবর পেয়েই ফোন করে খোঁজ নেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও তৃণমূলের অন্যান্য নেতা মন্ত্রীরাও তাঁর খোঁজ নেন। বসিরহাটের মানুষও তাঁর দ্রুত আরোগ্যে কামনা করেছেন।

]]>
বয়সের ছাপ দূর করতে ঘরেই তৈরি করুন ক্রিম https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a7%88/ Mon, 18 Nov 2019 13:59:27 +0000 http://rupcare.com/?p=25332

নিজে সুন্দর থাকতে কত কিছু্ই তো করে থাকি আমরা। তবে আদিকাল থেকেই রুপচর্চার জন্য সবচেয়ে ভালো হচ্ছে প্রাকৃতিক উপাদান।

অনেকের ত্রিশ পেরোনোর আগেই ত্বকে বলিরেখার ছাপ পরতে শুরু করে।অনেক এ জন্য অনেক দামি দামি ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। তবে ক্রিম ব্যবহার করেও ভালো ফল পাওয়া যায় না।

তবে আপনি চাইলে ঘরেই করতে পারেন অ্যান্টি-এজিং ক্রিম।এই ক্রিম আপনার বয়সের ছাপ দূর করে মুখের সৌন্দর্য বাড়াবে।

আসুন জেনে নেই এই অ্যান্টি-এজিং ক্রিম কীভাবে তৈরি করবেন?

উপকরণ

আমন্ড অয়েল ১/৪ কাপ, নারকেল তেল ২ টেবিল চামচ, ভিটামিন ই অয়েল আধা চা চামচ, শিয়া বাটার ১ টেবিল চামচ ও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল।

প্রণালী

একটি পাত্রে পানি হালকা গরম করুন। অন্য কাচের পাত্রে সব উপকর‍ণ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

কাচের পাত্রটি গরম পানির মধ্যে বসান। চুলা বন্ধ করে দিন। গরম পানির ভাপে সব উপকরণ গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে ক্রিম ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করুন।

ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে রাতে ঘুমানোর আগে ত্বক পরিষ্কার করে এই ক্রিম ব্যবহার করুন। একমাস পর আবার তৈরি করে নিন।

]]>
বয়স লুকাতে পালংশাক https://rupcare.com/2019/11/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%95/ Mon, 18 Nov 2019 13:56:58 +0000 http://rupcare.com/?p=25329

পালংশাক খনিজ, ভিটামিন, পানি আঁশ সমৃদ্ধ। পালংশাকের ইংরেজি নাম Spinach ও বৈজ্ঞানিক নাম Spinacea olerocea পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। বাড়তি খাবারের চাহিদা কমায়। প্রতি ১০০ গ্রাম পালংশাকে ৯০.০৮ গ্রাম পানি, ১.৮ গ্রাম খনিজ লবণ, ০.৬ গ্রাম আঁশ, ৩.৩ গ্রাম আমিষ, ২.১ গ্রাম শর্করা, ৭৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৮.৭ মিলিগ্রাম লোহা, ৭৯৪০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ ও ১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আছে।

এক কাপ পালংশাক খাদ্য আঁশের দৈনিক চাহিদার ২০ শতাংশ পূরণ করে। প্রতি ১০০ গ্রাম পালংশাকে মাত্র ২৩ ক্যালরি। পালংশাকে রয়েছে ১০টিরও বেশি ভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড, যা ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের প্রতিরোধে কাজ করে।

লুটেনসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইটোকেমিক্যাল আছে। যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। পালংশাকের বিটা ক্যারোটিন চোখে ছানি পড়ার ঝুঁকি কমায়। ব্রণ, বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের সুরক্ষায় পালংশাকের ভূমিকা অনন্য।

নাস্তায় নুড্লসের পরিবর্তে এক বাটি পালংশাক খাওয়া যেতে পারে। পালংশাকের স্যুপ ওজন কমাতে সহায়ক। কোনো চর্বি নেই। পালংশাকে প্রচুর পানি থাকে। রক্তের গুণাগুণ বাড়াতে পারে পালংশাক। কারণ পালংশাকে আছে আয়রন। হালকা জ্বালে পালংশাক রান্না করতে হবে। তাহলে পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকবে।

আমাদের দেশে শীতকালে পালংশাকের চাষ হয়। জমি, জমির আইলে বা অন্য ফসলের মধ্যে পালংশাকের চাষ করেন কৃষক। তবে ছাদে বা বেলকোনিতেও পালংশাক হয়। বীজ বপনের এক মাসের মধ্যে শাক খাবার উপযোগী হয়। রূপচর্চায় পালংশাকের জুড়ি নেই।

ব্রণের সমস্যা দূর করে পালংশাক। এ জন্য পালংশাকের মাস্ক ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। পালংশাক, গাজর, শসা ব্লেন্ড করুন। এই জুস পুষ্টিগুণে অনন্য। কয়েকদিন খেলে এর ফলাফল হাতেনাতে টের পাবেন। ত্বকের সমস্যা দূর হবে। বয়সের ছাপ লুকাতে পালংশাক কাজ করে। এতে আছে ফ্রি র‌্যাডিকেলস, যা ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয় না। মুখের ত্বকের যত্নে কত কিছুই না আমরা করি।

এটা-সেটা ব্যবহার করি। অথচ পালংশাক, মধু, লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগালে অনেক উপকার। এই মিশ্রণ ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ত্বক সতেজ হবে। মরা কোষ পড়ে যাবে। ত্বক হবে মসৃণ, কোমল, উজ্জ্বল। চুল পড়ে, চুল সাদা হয়ে যায়, চুলে মোটেই কোমলতা নেই- নিয়মিত পালংশাক খেতে পারেন। চুলের সমস্যা কেটে যাবে। কারণ পালংশাকে আছে ভিটামিন বি, সি, ই, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ওমেগা-৩, ফ্যাটি এসিড।

এসব চুলের জন্য খুব দরকারি। রক্তে লোহিত কণিকা কমে গেছে যাদের, তারা পালংশাক খেলে উপকার পাবেন। পালংশাকের ভিটামিন, নিউট্রিয়েন্টস লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়ায়। হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে পালংশাক ভালো কাজ করে বলে জানা যায়।

পালংশাকের ভিটামিন, মিনালেরস নারীদের মাসিকজনিত সমস্যা দূর করে থাকে। বিভিন্নভাবে রান্না করে পালংশাক খাওয়া যায়। চিকেন পালংশাক, পালং পনির, সবজি ও বড়ি দিয়ে পালংশাকের ঘণ্টো, শুধু পালংশাকের ঘণ্টো, পালং প্রদীব, পালংশাকের মিষ্টি, পালং নৌবিহার, পালং কোপ্তা, পালং মসুরডালকারি, পালং থেপলা অন্যতম মুখরোচক খাবার। পালংশাকের আলফা লিপোয়িক এসিড রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

শরীরে ইনস্যুলিনের সেনসিটিভিটি বাড়ায়। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা পালংশাক খেলে উপকার পাবেন। তবে অতিরিক্ত পালংশাক খাওয়া ভালো নয়। পালংশাক বেশি খেলে পেট ফাপা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

পালংশাক খাবার সময় অন্য কোনো খাবারে উচ্চমাত্রায় ফাইবার নেয়া যাবে না। এতে ডায়েরিয়া, পেটের সমস্যা তৈরি হতে পারে। পালংশাকে উচ্চমাত্রায় অক্রালিক এসিড থাকে। অতিরিক্ত পালংশাক খেলে কিডনিতে পাথর হতে পারে। পালংশাক বেশি গ্রহণ করলে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। গেঁটে বাত থাকলে ব্যথা বাড়বে। সহজলভ্য এবং দামে কম। পালংশাক খেয়ে আমরা পুষ্টির চাহিদা সহজেই মিটাতে পারি।

]]>