Advertisements

একুশ: প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে

|অনামিকা মৌ|
ekush1 একুশ: প্রজন্ম থেকে প্রজন্মেটিপটিপ, বয়স সাত। ক্লাস টুতে পড়ে। শহীদ মিনারে কেন এসেছে জিজ্ঞাস করতেই জানালো, বাংলা ভাষা বাঁচানোর জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছে। একথা বলেই “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী” গানের দুই লাইন শুনিয়ে দিল। টিপটিপের মতোই আগামী প্রজন্মের আরো অনেকেই আজ এসেছে শহীদ মিনারে ফুল দিতে। সাবা এসেছে সেই টাঙ্গাইল থেকে, তার আব্বু-আম্মুর সাথে। সাবার মা ফারহানা খান বললেন, প্রতিবছরই ২১শে ফেব্রুয়ারীতে মেয়েকে নিয়ে শহীদ মিনারে আসেন। তিনি আরো বললেন, আমরা যদি আগামী প্রজন্মের কাছে আমাদের ইতিহাস, আত্মত্যাগের কথা তুলে না ধরি তাহলে জাতি হিসাবে কখনোই নিজেদের ক্ষমা করতে পারবোনা। ফারহানা খানের এই কথা শুনে মনে হলো সত্যিই আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য, ৫২ আর ৭১ এর চেতনায় গোটা জাতি আজ উদ্বুদ্ধ। আসলে আমরা নিজেরা নিজেদেরকে যতো জানবো, ততোই অনুপ্রাণীত হবো।
ekush3 একুশ: প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে২১শের চেতনা আমাদের ইতিহাসের অন্যতম গৌরবোজ্জ্বল একটি অধ্যায়। পৃথিবীর আর কোন জাতি মায়ের ভাষার জন্যekush2 একুশ: প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রাণ দিয়েছে কিনা তা কেউ বলতে পারবেনা। কারণ আমরাই পারি অধিকার আদায়ে সব ত্যাগ স্বীকার করতে। ৫২ এর ধারাবাহিকতায় এসেছে ঊনোসত্তর, একাত্তর, নব্বই আর আজকের শাহবাগ।
নতুন প্রজন্মের এই চেতনা আজ ছড়িয়ে দেয়ার পালা আগামী প্রজন্মের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে একুশ আজ হাতছানি দিয়ে ডাকছে আগামী দিনের পথপ্রদর্শকদের। আজ আমার, আপনার, সবারই দায়িত্ব একুশের চেতনা তাদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার। এমন গৌরবের ইতিহাস আর কারই বা আছে। সব ভয় ভীতি, অন্যায়-অবিচারকে ঠেলে আজ সময় এসেছে সামনের দিকে এগিয়ে চলার। ছোট্ট হাতটি ধরে একটু এগিয়ে দিন, দেখবেন একদিন গোটা জাতিই এগিয়ে যাবে।

Advertisements

Check Also

ভালোবাসার সম্পর্ক স্থায়ী না ভেঙে যাবে? জানা যাবে এই ৫ লক্ষণে!

সারা দিন ফোনে গল্প, একসঙ্গে থাকা, একে অপরের সঙ্গে ঝগড়া সাধারণত সম্পর্কে তো এমন হয়েই …