Advertisements

আমি গান লিখতাম স্কুল ফাঁকি দিতে: টেইলর

|রূপ-কেয়ার ডেস্ক|
rupcare_taylor1 আমি গান লিখতাম স্কুল ফাঁকি দিতে: টেইলর
নিজের সম্বন্ধে কিছু বলুন
আমার পুরো নাম টেইলর অ্যালিসন সুইফট। জন্ম ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৮৯  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে। আমার বাবার নাম স্কট সুইফট, তিনি পেশায় একজন শেয়ার ব্যবসায়ী। মায়ের নাম অ্যান্ড্রি। আমার একটি ছোট ভাই আছে, নাম অস্টিন।
rupcare_taylor3 আমি গান লিখতাম স্কুল ফাঁকি দিতে: টেইলর
জীবনের প্রথম কোন অর্জন
আমি যখন চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি, তখন  জাতীয় পর্যায়ে কবিতা আবৃতিতে একটি পুরস্কার অর্জন করেছিলাম। কবিতাটা ছিল তিন পৃষ্ঠার এবং এর শিরোনাম ছিল “মনস্টার ইন মাই ক্লোসেট”।
rupcare_taylor2 আমি গান লিখতাম স্কুল ফাঁকি দিতে: টেইলর
গানের প্রতি আগ্রহ যেভাবে
আমি এক কম্পিউটার মেকানিকের কাছ থেকে গিটারের প্রথম তিন কর্ড বাজানো শিখি।এরপর আমি জীবনে প্রথম গান “লাকি ইউ” রচনা করি।এরপর থেকে আমি নিয়মিত গান লেখা শুরু করি। বলা যায় গান লেখা স্কুল ফাঁকি দেয়ার একটা উপায় ছিল।
 
সঙ্গীত জীবনে যাদের প্রভাব রয়েছে
কানাডিয় কান্ট্রি সঙ্গীতশিল্পী শানায়া টোয়েইন আমাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে।এছাড়া লিয়েন রাইমস, টিনা টারনার, ডলি পার্টন-এর গানও আমাকে দারুন প্রভাবিত করে। আমার দাদি ছিলেন একজন পেশাদার অপেরা শিল্পী।খ্যাতিমান কান্ট্রি সঙ্গীতশিল্পী প্যাটসি ক্লাইনের বিশেষ ভক্ত ছিলাম আমি।এটিই মূলত আমাকে কান্ট্রি সঙ্গীতের দিকে ঝুকে পড়তে সাহায্য করে।
 
সাফল্যের প্রথম ধাপ
১১ বছর বয়সে আমি কারাওকে দিয়ে গাওয়া গান বিভিন্ন রেকর্ড কোম্পানির কাছে দেয়ার জন্য নাশভিলে যাই। শহরের প্রায় প্রতিটি কোম্পানিতেই সেই গান জমা দিই, কিন্তু হতাশাজনক হলো তারা সবাই আমাকে ফিরিয়ে দেয়।পেনসিলভানিয়াতে ফেরার পর আমাকে ইউ.এস. ওপেন টেনিস টুর্নামেন্টে গান গাওয়ার জন্য বলা হয়। এ অনুষ্ঠানে আমি জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করি যা মানুষের ব্যাপক দৃষ্টি আকর্ষণ করে।১২ বছর বয়সে আমি ১২ স্ট্রিং-এর গিটারে গান গাওয়া আরম্ভ করি এবং গান লেখাও অব্যাহত রাখি।
rupcare_taylor5 আমি গান লিখতাম স্কুল ফাঁকি দিতে: টেইলর
জীবনের প্রথম গানের প্রকাশ
আমার জীবনের প্রথম গান “টিম ম্যাকগ্রো”প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে যা বিলবোর্ডের হট কান্ট্রি সং চার্টে ষষ্ঠ স্থান লাভ করে।আমার নিজের নামে একক অ্যালবাম “টেইলর সুইফট”  প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালের ২৪ অক্টোবর। এই অ্যালবামের বেশিরভাগ গানই আমার নিজের রচনা , কিছু গান আবার আংশিক রচনাও করেছিলাম। অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ চার্টে ১৯ তম স্থান লাভ করে এবং প্রকাশের প্রথম সপ্তাহেই এটি ৩৯০০০ কপি বিক্রি হয়।পরবর্তিতে অ্যালবামটি বিলবোর্ড টপ কান্ট্রি অ্যালবাম চার্টে শীর্ষস্থান দখল করে এবং বিলবোর্ড ২০০ চার্টে পঞ্চম স্থান লাভ করে।টপ কান্ট্রি অ্যালবাম চার্টে এটি আট সপ্তাহ ধরে অপরিবর্তিতভাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল।
 
সর্বধিক জনপ্রিয় অ্যালবাম
আমার সর্বাধিক জনপ্রিয় স্টুডিও অ্যালবাম “ফিয়ারলেস” ১১ নভেম্বর ২০০৮ সালে মুক্তি পায়। মুক্তি পাওয়ার সাথে সাথেই অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ অ্যালবাম তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে। অ্যালবামটির ৫৯২,৩০৪ কপি বিক্রয়ের পরিমাণ ২০০৮ সালের অন্য যেকোন কান্ট্রি সঙ্গীত শিল্পীর প্রকাশিত অ্যালবামের চেয়ে বেশি। এছাড়া প্রথম প্রকাশে আমিই কোন নারী শিল্পী যার অ্যালবামের এই বিক্রয়ের পরিমাণ ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীতের সকল ধারার মধ্যে সর্বাধিক । অ্যালবামটির “লাভ স্টোরি” গানটি কান্ট্রি এবং পপ সঙ্গীতের তালিকায় ব্যাপক সাফল্য পায়। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই অ্যালবামটি ইন্টারনেটে ১২৯,০০০ কপি বিক্রয় হয়। অনলাইনে কোন কান্ট্রি সঙ্গীতের অ্যালবামের মধ্যে এটিই সর্বাধিক সংখ্যক বিক্রয় হয়।
rupcare_taylor4 আমি গান লিখতাম স্কুল ফাঁকি দিতে: টেইলর
সর্বশেষ অ্যালবাম এবং বর্তমান
আমার সর্বশেষ স্টুডিও অ্যালবাম “রেড” মুক্তি পায় গত বছর অক্টোবরে। এর বেশির ভাগ গানই আমার রচনা। বর্তমানে আমি পুরো উত্তর আমেরিকা ট্যুরে আছি। এই ট্যুরটি শুরু হয় এ বছর মার্চ মাসে, আর শেষ হবে সেপ্টেম্বরে। আমার সর্বশেষ অ্যালবাম “রেড” এর নামানুসারে এই ট্যুরের নামকরণ করা হয়েছে “রেড ট্যুর”। সর্বমোট ৬৪টি স্থানে আমার গান গাওয়ার কথা রয়েছে।

Advertisements

Check Also

তেল চিটচিটে রান্নাঘর পরিষ্কারের সহজ উপায়

রান্নাঘর পরিষ্কারের দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। কারণ, বাড়ির এই অংশেই সবার জন্য খাবার …