গ্যাস্ট্রিক সমস্যার ঘরোয়া সমাধান – ২

|নুসরাত নীলিমা|

কথায় আছে বিধাতা যেমন রোগ দিয়েছেন, তেমনি দিয়েছেন তার দাওয়াই। আমাদের উপমহাদেশে হাজার হাজার বছর ধরে যে ভেষজ শাস্ত্র চলে আসছে তাতে রয়েছে নানা রোগ নিরাময়ের প্রাকৃতিক উপায়। বর্তমানে উন্নত বিশ্বেও এইসব হারবাল চিকিৎসা নিয়ে তৈরী হচ্ছে ব্যপক আগ্রহ। সেই ধারাবাহিকতায় গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমাধানে আপনাদের জন্য আরো কিছু কার্যকরী পন্থা উল্লেখ করা হলো।

বোরহানী


বিয়ে বাড়িতে আমাদের বোরহানী না হলে চলেই না। টক দই, বীট লবণ ইত্যাদি নানা এসিড বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরী বলে এটি হজমে খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন ভারী খাবারের পর একগ্লাস করে খেতে পারলে আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে।

তুলসী পাতা


হাজারো গুণে ভরা তুলসী পাতার কথা আপনারা সবাই জানেন। এসিডিটি দূর করতেও এর ভূমিকা অনন্য। যখন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হবে ৫-৬ টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে দেখবেন এসিডিটি কমে গেছে। তুলসী পাতা যে প্রতিদিন ব্লেন্ড করে পানি দিয়ে খাবেন, তার এসিডিটি হওয়ার প্রবনতা অনেক কমে যাবে।

আঁদা


আঁদাও এমন একটি ভেষজ উপাদান যা আমাদের অনেক কাজে লাগে। প্রতিবার খাদ্য গ্রহনের আধা ঘন্টা আগে ছোট এক টুকরো আঁদা খেলে দেখবেন আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা গায়েব হয়ে গেছে।

দুধ


দুধের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা পাকস্থলীর এসিড কমাতে সাহায্য করে। রাতে একগ্লাস দুধ ফ্রিজে রেখে দিয়ে পরদিন সকালে খলি পেটে সেই ঠান্ডা দুধটুকু খেলে সারাদিন এসিডিটি থেকে মুক্ত থাকা যাবে। তবে কারো পেট দুধের প্রতি অতিসংবেদনশীল, এদের ক্ষেত্রে দুধ খেলে সমস্যা আরো বাড়তে পারে।

ভ্যানিলা আইসক্রিম


আইসক্রিম খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। কিন্তু আপনি কি জানেন ভ্যানিলা আইসক্রিম শুধু আমাদের তৃপ্তিই যোগায় না, সাথে এসিডিটি দুর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে! কি এটা শুনে আইসক্রিম খাওয়া আরো বাড়িয়ে দিলেন নাকি? তবে সাবধান আবার ঠান্ডা লাগিয়ে ফেলবেন না কিন্তু।

আগের পর্ব: গ্যাস্ট্রিক সমস্যার ঘরোয়া সমাধান – ১

Check Also

আপেল সাইডার ভিনেগার কি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়?

আপেল সাইডার ভিনেগার আপেলের রস ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। এটি অত্যন্ত অম্লীয় এবং তীব্র …