দাঁত ও মুখের যত্নে সাতটি পরামর্শ যা প্রতিদিনই মনে করা উচিত

|রূপ-কেয়ার ডেস্ক|

rupcare_tooth care

মুখের অভ্যন্তরের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে এবং বাজে দুর্গন্ধকে দূরে রাখতে বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। এগুলোকে প্রতিদিনের কাজে হিসেবে অভ্যাস বানিয়ে নিতে হবে। তাই মুখের ভেতরের সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তাকে দূরে রাখতে এখানে দেখে নিন সাতটি কার্যকর উপায়।

১. দিনে অন্তত দুইবার ব্রাশ করুন : মুখের হাইজিন ধরে রাখার অন্যতম উপায় দিনে দুইবার ব্রাশ করা। বাচ্চাদের এ অভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহ দিতে পারেন বাবা-মায়েরা। প্রতিদিন খাওয়ার পর সকাল ও রাতে অন্তত দুইবার ব্রাশ করুন। আর সঠিক উপায়ে ব্রাশ করার পদ্ধতি অহরহ টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনে শিখিয়ে দেওয়া হয়।

২. অন্তত তিন মিনিট ব্রাশ করুন : ব্রাশ করার সময়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দাঁতের আনাচে-কানাচে অন্তত তিন মিনিট ব্রাশ করাটা জরুরি। তাই অল্প সময়ের কাজটি কয়েকবার ঘড়ি ধরে করলেই পরে সময়জ্ঞান হয়ে যাবে।

৩. অভ্যাসে পরিণত করুন : প্রতিদিন ব্রাশ করাটা অভ্যাসে পরিণত করুন। সকাল বা বিকেলে বা রাতে শেষবারের মতো খাওয়ার পর সাধারণত ব্রাশ করা সবচেয়ে উপকারী। বেশ কয়েক দিন চালিয়ে গেলে অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে।

৪. মাউথ ওয়াশ করুন : এ কাজটি দাঁত মাজার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে কাজ দেবে মাউথ ওয়াশ, নিঃশ্বাস হবে সজীব। তা ছাড়া মুখের মধ্যে এক দারুণ পরিচ্ছন্ন অনুভূতি এনে দেবে মাউথওয়াশ।

৫. পানির সাহায্যে ফ্লস করা : মাউথওয়াশের মাধ্যমে ফ্লসের কাজটা সারা যায়। প্রতি দাঁতের মধ্যে যে ফাঁকা অংশ থাকে তার মাঝে খাবার আটকে থাকে। এগুলো পরিষ্কার করাই ফ্লস। মাঝে মধ্যে পানির সাহায্যে এ কাজটি সারতে পারেন। প্রতি সপ্তাহে এক বা দুইবার এটি করা উচিত।

৬. বেভারেজ এবং এসিডপূর্ণ খাদ্য এড়িয়ে চলা : বাজারের যেকোনো বেভারেজ দারুণ ক্ষতিকর দাঁতের জন্য। তাই এটি পরিহার করুন। তা ছাড়া অ্যালকোহলপূর্ণ পানীয় এবং এসিড রয়েছে এমন খাবার এড়িয়ে চললে দাঁতের ক্ষতির হাত থেকে বাঁচবেন।

৭. ব্যবহৃত পানির বিষয়ে সাবধান : যে পানি দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করছেন বা দাঁত মেজে মুখ পরিষ্কার করছেন তা যদি দূষিত হয়, তবে মুখে এবং দাঁতে ব্যাপক সমস্যা দেখা দেবে। তাই পরিষ্কার পানি দিয়ে নিয়মিত দাঁত ও মুখ পরিষ্কারের কাজটি করুন।

তথ্যসূত্র: কালেরকণ্ঠ

Check Also

জ্বর সারানোর ঘরোয়া উপায়

হুটহাট জ্বর চলে আসা এই সময়ে অস্বাভাবিক নয়। বাতাসে ঋতু বদলের ঘ্রাণ। প্রকৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে …