৭টি দারুণ ব্যবহার গোলাপ জলের রূপচর্চা ও খাবারে

amitumi_rose water

রূপচর্চায় এবং খাবারের গন্ধ ও স্বাদ বাড়াতে গোলাপ জলের ব্যবহার বহু পুরনো রীতি। আধুনিক যুগে বহু প্রসাধন থাকা সত্ত্বেও গোলাপ জলের আবেদন কমেনি এতটুকু। তবে এটি কেনার সময় খেয়াল রাখতে হবে তা যেনো হয় খাঁটি। এখানে রূপচর্চাসহ খাবারে গোলাপ জলের ৭টি দারুণ ব্যবহার দেখে নিন।

১. ফেস টোনার : সেরা মানের গোলাপ জল কিনে আনুন। ভালো ব্র্যান্ডের হলে ভালো হয় যেগুলো ত্রিপল পিউরিফাইড অর্গানিক গোলাপ জল হিসেবে বাজারে এসেছে। শতভাগ খাঁটি গোলাপ জলে ভিটামিন এ এবং সি রয়েছে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লামাটরি উপাদান রয়েছে যা জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করা সহ ত্বকের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে। তা ছাড়া চোখের নিচে পাফ করে দিতে পারেন। এতে কালচে দাগ চলে যাবে। তুলায় সামান্য গোলাপ জল নিয়ে গোটা মুখে আলতো করে ঘষতে থাকুন।

২. বিছানায় সুগন্ধ : বিছানার চাদর ময়লা হলে সেখানে ঘুমানো উচিত নয়। কারণ ময়লায় ব্যাকটেরিয়া থাকে। ময়লা না থাকলেও বিছানায় একটু গোলাপ জল ছিটিয়ে দিন। এর দারুণ সুগন্ধী মনটাকে ফ্রেস করে দেবে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিছানায় একটা পরিষ্কার ভাব আনবে এবং জীবাণু কিছুটা দূর হবে।

৩. গোলাপের গন্ধযুক্ত পানীয় : চাসহ যেকোনো পানীয়তে গোলাপ জল ব্যবহার করে দেখুন। দারুণ গন্ধসহ স্বাদেও ভিন্নতা আসবে। বিশেষ করে লেমোনেডের সঙ্গে গোলাপ জলের দারুণ মিশ্রণ হয়। এর স্বাদও অপূর্ব। অনেক দেশেই লেমোনেডের সঙ্গে গোলাপ জল মেশানো পানীয় দারুণ জনপ্রিয়।

৪. আলমন্ড ও পেস্তা বাদাম : পূর্বের বহু খাবারের রেসিপিতে আলমন্ড ও পেস্তা বাদাম ব্যবহার করা হয়। এসব খাবারে গোলাপ জলের ব্যবহার দারুণ স্বাদ এনে দেয়। বাদামের স্বাদের সঙ্গে গোলাপ জলের মিষ্টি স্বাদের তুলনাই চলে না। পাশাপাশি এসব বাদাম দিয়ে তৈরি ডেজার্টেও গোলাপ জলের ব্যবহার স্বাদে ভিন্নতা আনে।

৫. চুলে শ্যাম্পুর পর গোলাপ জল : চুলে শ্যাম্পু করে এরপর গোলাপ জল ব্যবহার করেছেন? শ্যাম্পুর পর ঝরঝরে চুলে মসৃণভাব এনে দেবে গোলপ জল। সুগন্ধীসহ মনে হবে চুলে কন্ডিশনার দিয়েছেন। চুলের তেলতেলে খসখসে ভাব চলে যাবে তৎক্ষণাৎ। সেই সঙ্গে চুলকে পরিপুষ্ট দেখাবে। শ্যাম্পুর পর তেল দেওয়ার মতো করে চুলে গোলাপ জল নিন।

৬. গোসলের পানিতে টনিক : অনেক বিউটি পার্লারে পানিতে মধু ও গোলাপ জলের মিশ্রণ দিয়ে গোসলের ব্যবস্থা রাখা হয়। গোটা দেহের ত্বকে ফ্রেস ও ঝকঝকে ভাব এনে দেয় গোলাপ জল। সঙ্গে মিষ্টি গন্ধ তো বোনাস। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের সুবাদে পানি হবে জীবাণুমুক্ত।

৭. লোশনের সঙ্গে সুগন্ধী গোলাপ জল : ত্বকের যত্নে যে লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করেন তার সঙ্গে সামান্য পরিমাণ গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। সুগন্ধীসহ ত্বকে কোমল ও মসৃণভাব চলে আসবে। ত্বকের ঔজ্জ্বলতা বাড়বে, ফুটে উঠবে সজীবতা।

সূত্র :কালের কণ্ঠ

Check Also

ফর্সা ত্বক চান? মেনে চলুন এই ৩ নিয়ম

আবহাওয়ার খামখেয়ালি প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকেও। এই রোদ, বৃষ্টি, ধুলোবালি- সবকিছুর সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে …