Advertisements

সম্পর্কে জড়ানোর পরও স্বাধীন থাকার ৭টি উপায়

amitumi_be-free সম্পর্কে জড়ানোর পরও স্বাধীন থাকার ৭টি উপায়

স্বাধীন থাকা মানেই সব ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্নতা নয়। কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর পর তাতে কতখানি নিয়োজিত হতে হবে, এ বিষয়ে অনেকেই ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পালন করেন। সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়ে নিজের সত্ত্বাকে বিসর্জন দেওয়া কিংবা সম্পূর্ণভাবে অন্যের ওপর নির্ভর করা উভয়টিই সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর। এ লেখায় থাকছে সাতটি বিষয়, যা সম্পর্কে জড়ানোর পরও আপনাকে স্বাভাবিক রাখবে।

১. নিজের শখ বজায় রাখুন
দুজন একসঙ্গে কাজ করার মজা রয়েছে। তবে পাশাপাশি আপনার নিজের শখও পূরণ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সঙ্গী যখন অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত তখন আপনি নিজের পেইন্টিংয়ের শখটি জিইয়ে রাখুন। সম্পর্কে জড়ানোর পরে নিজের শখটি বাদ দিয়ে দিলে তা আপনার মানসিক চাপ সৃষ্টি করবে। ফলে সমস্যা তৈরি হবে।

২. নিজের অর্থ নিজেই রাখুন
আপনার জীবনসঙ্গীর সঙ্গে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট একত্রিত করার আগে একটু ভেবে নিন। সংসারে আপনার ও সঙ্গীর অর্থের আগমন ও খরচের হিসাব রাখার জন্য উভয়েরই সচেতনতা প্রয়োজন। এখানে টাকা-পয়সার মতো বিষয়ে হিসাব রাখার গুরুত্ব রয়েছে।

Advertisements

৩. বাড়ির কাজে পারস্পরিক সহযোগিতা
সঙ্গী যদি বাড়ির কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে তখন আপনার আরাম করার মানে কিছুটা ভিন্ন দিকে চলে যায়। আর নিজেকেও সমান পরিশ্রমী প্রমাণ করার জন্য তার সঙ্গে হাত লাগানো বা ভিন্ন কোনো কাজ করাই ভালো।

৪. বন্ধু-বান্ধবদের সময় দিন
সঙ্গীর সঙ্গে আপনার অধিকাংশ সময় কাটালেও তাতে কিছুটা বিরতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে। দুজনকে সব সময় যে একই কক্ষে থাকতে হবে এমন কোনো কথা নেই। একঘেয়েমি কাটানোর জন্য আপনার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গেও দেখা করার বা সীমিত পর্যায়ে আড্ডা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আছে।

৫. নিজের মতামত প্রকাশ করুন
প্রত্যেক বিষয়েই আপনার নিজের একটা বিশ্বাস আছে। আর সঙ্গীর দ্বারা প্রভাবিত হলেও শুধু সে কারণে বিশ্বাসটি ত্যাগ করার চেষ্টা করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

৬. নিজের মতো করে থাকুন
অন্য কারো মতো করে থাকা নয়, নিজের মতো করে থাকাই ভালো। সঙ্গীর দ্বারা আপনি যতই প্রভাবিত হন না কেন, এ প্রবণতা ত্যাগ করা যাবে না। নিজের মতো করে থাকায় আপনার প্রতি তার আকর্ষণ আরও বেড়ে যেতে পারে।

৭. পরামর্শ করুন
একে অন্যের সঙ্গে আলোচনার বিকল্প নেই। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার সঙ্গীর সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। এ ছাড়াও প্রয়োজনে আপনার পিতা-মাতা ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে পরামর্শ করা যেতে পারে।

সূত্র: কালেরকণ্ঠ

Advertisements

Check Also

হতাশা দূর করবে যেসব খাবার

বাইরে থেকে দেখে যতই সুখী আর সমৃদ্ধ মনে হোক না কেন, ভেতরে ভেতরে নিঃস্ব হয়ে …