ফ্রুটি ভাপা পিঠা: চেনা পিঠার অচেনা রূপ

rupcare_vapa pitha
ভাপা মিঠা যে কেবল মিষ্টি হয়, তা নয়। ঝাল ভাপা পিঠা হয়, আবার নোনতা ভাপা পিঠাও হয় মিষ্টি ছাড়া। রাজবাড়ী, ফরিদপুর সহ অনেক অঞ্চলে ভাপা পিঠায় ব্যবহার করা হয় গরম মশলা। তবে ফ্রুটি ভাপা পিঠা? হয়তো এই খাবারটি আপনাদের কারো খেয়ে দেখা হয়নি। একদম ভিন্ন স্বাদের এই ভাপা পিঠা কোন কেকের চাইতে স্বাদে কম নয় একটুও। বরং অনেক বেশি সুস্বাদু। অনেকে একে শাহী ভাপা পিঠাও বলেন। আসুন, জেনে নিই সহজ রেসিপি।
উপকরণ
সিদ্ধ চালের গুঁড়ো ২ কাপ,
ভেঙে নেওয়া তাজা খেজুরের গুড় ১ কাপ
নারিকেল কোরানো ১ কাপ,
লবণ স্বাদমতো
কিসমিস, শুকনো চেরি ও নানান রকম বাদাম কুচি ইচ্ছামত
ভ্যানিলা বা লেমন ফ্লেভার সামান্য
প্রণালি
-চালের গুঁড়িতে লবণ মিশিয়ে হালকা করে পানি ছিটিয়ে ঝুরঝুরে করে মেখে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যেন দলা না বাঁধে। সামান্য ভ্যানিলা বা লেমন ফ্লেভার মিশিয়ে মেখে নিন। এবার বাঁশের চালনিতে চেলে নিন সুন্দর করে।
-ভাপা পিঠা বানানোর হাঁড়িতে পানি দিন। এবার মুখ ছিদ্র ঢাকনা বসিয়ে আটা দিয়ে আটকে দিন। যাতে বাষ্প বের হতে না পারে। চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিন। পানি টগবগ করে ফুতলে তবেই পিঠা দেবেন।
– পাতলা সুতার দুই টুকরা কাপড় ও ছোট দুটি বাটি নিন আপনার পছন্দ মত।
-এবার বাটিতে প্রথমে চেরি ও কিসমিস সাজিয়ে দিন। তারওপরে চালা চালের গুঁড়ি দিয়ে মাঝখানে গর্ত করে গুড় ও নারিকেল দিন। বাদাম দিতে চাইলে দিয়ে দিন। আবার চালের গুঁড়ো দিয়ে ঢেকে দিন।
-এবার এক টুকরা পাতলা সুতির কাপড় ভিজিয়ে পিঠার বাটি ঢেকে উল্টে মুখ ছিদ্র ঢাকনার ওপর পিঠা রেখে সাবধানে বাটি খুলে পিঠা ঢেকে দিন।
-সিদ্ধ হলে পিঠা উঠিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। আপনি চাইলে যে কোন শেপের ছাঁচে এই পিঠা তৈরি করতে পারেন। গুঁড়ি ভালো হলে পিঠা ভাঙবে না।
টিপস
ভাপা পিঠা তাজা গুঁড়ি করে বানালে ভালো হয়। এতে পিঠা অনেক বেশি মোলায়েম হয়। শুকনা গুঁড়ি দিয়ে বানালে অনেকক্ষণ আগে গুঁড়ি পানি ছিটা দিয়ে রেখে পরে বাঁশের চালানিতে চেলে নেবেন।
সূত্র: প্রিয় লাইফ

Check Also

পূজার রেসিপি : নারিকেলের তক্তি

পূজার বাদ্য বেজে উঠেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা। এসময় নানা সুস্বাদু খাবার …