মায়েরা সাবধান! জোর করে খাওয়ানো শিশুর জন্যে ক্ষতিকর

amitumi_feeding child

অনেক বাচ্চার খাওয়ার প্রতি একদমই আগ্রহ থাকে না। এ নিয়ে দারুণ দুশ্চিন্তায় থাকেন বাবা-মায়েরা। বাড়ন্ত বয়সে পুষ্টির অভাব হচ্ছে ভেবে জোর-জবরদস্তি করে খাওয়ান তারা। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়, জোর করে খাওয়ানোতে কোনো উপকার হয় না বললেই চলে। নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলজির এক দল গবেষকের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষণায় বলা হয়, জোর করে খাওয়ানো হলে বরং ভালোর চেয়ে মন্দটাই বেশি হতে পারে। এতে শিশুর স্বাভাবিক খাওয়ার অভ্যাস বাধাগ্রস্ত হয় এবং অস্বাস্থ্যকর ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।

প্রধান গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর সিলজে স্টেইনসবেক জানান, কিছু শিশুর বডি ম্যাস ইনডেক্স অন্যদের চেয়ে বেড়ে যায়। কেন বেড়ে যায় তা দেখতে শিশুদের দৈহিক কার্যকলাপ, টেলিভিশন দেখার সময় এবং ক্ষুধা নিবারণের উপায় পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

‘জার্নাল অব পেডিয়াট্রিক সাইকোলজি’তে প্রকাশিত ওই গবেষণাপত্রে বলা হয়, দৈহিক ক্রিয়াকলাপ এবং টেলিভিশন দেখার কাজ ওরা স্বাভাবিকভাবেই করে। কিন্তু খাওয়ার বিষয়টি দারুণ কঠিন হয়ে ওঠে। জোর করে খাওয়ার কারণেই তাদের স্বাস্থ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। খাওয়ার কাজটি ক্ষুধার কারণে নয়, বরং খাবারের চেহারা ও গন্ধ দেখে জোর করে খেতে বাধ্য হয় তারা।

এ প্রতিবেদনটি শিশুর মানসিকভাবে বেড়ে ওঠার দীর্ঘমেয়াদি এক গবেষণার অংশ। বিগত ৭ বছর ধরে তারা কয়েকজন শিশুকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। চার, ছয় এবং আট বছর বয়সী শিশুদের বেছে নেওয়া হয় গবেষণার কাজে।

সূত্র : কালেরকণ্ঠ

Check Also

ঘুমের সময় মেয়েদের অন্তর্বাস পরা কি জরুরি?

ঘুমের সময় পোশাকটি কেমন হবে তা নিয়ে চিন্তিত থাকেন বেশিরভাগ নারী। কারণ আঁটসাঁট পোশাক পরলে …