ফিট থাকতে কিছু সহজ অ্যারোবিক এক্সারসাইজ

|রূপ-কেয়ার ডেস্ক|

rupcare_aerobics exercise0

যে কোনো বিষয়য়েই অনুশীলন একটি পজেটিভ বিষয়। আর শরীর-মন ভালো রাখতে শরীরেও অনুশীলন প্রয়োজন। সুস্থ থাকতে খাবারের পাশাপাশি নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প কিছু নেই। অনেক সময়ই হয়তো বাইরে জিমে যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই বাড়িতে বসেই করার মতো কিছু অনুশীলন বা এক্সারসাইজ নিয়ে আজকের আলোচনা।

অ্যারোবিক শব্দের অর্থ ‘উইথ অক্সিজেন’ অ্যারোবিক ওয়ার্ক-আউটের ফলে শরীরে, অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে, হার্ট, ফুসফুস, ব্লাড ভেসেল অথাৎ সমগ্র কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম ভালো রাখে। অ্যারোবিক এক্সারসাইজ মূলত শরীরের বড় মাংসগুলোকে টার্গেট করে। নিয়মিত এক্সারসাইজে হার্টবিটে রক্ত পাম্প করতে পারে। ফলে শরীরের টিসুতে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছে সহজেই। এতে ফিটনেস লেভেল বেড়ে যায়। আর তার জন্য হাঁপানি ছাড়াই অনেকক্ষণ এক্সারসাইজ করতে পারেন।

অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করতে পারেন যারা

অ্যারোবিক এক্সারসাইজ মোটামুটি সবাই করতে পারেন। তবে যাদের বয়স ৪০-এর ঊর্ধ্বে তারা এক্সারসাইজের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। rupcare_aerobics exercise1ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ, হাই ব্লাডপ্রেশার বা যে কোনো শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন কিংবা ওবেসিটিতে ভোগার কারণে দীর্ঘদিন ইন-অ্যাক্টিভ ছিলেন তারাও এক্সারসাইজের পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে পারেন। অবশ্য দেখা গিয়েছে যে, ডায়াবেটিস, ওবেসিটি, আর্থ্রাইটিস, প্রিমেসস্টুয়াল সিন্ড্রোম বা হার্টের রোগে ভুগছেন তারা অ্যারোবিক এক্সারসাইজে অনেক উপকৃত হয়েছেন।

অ্যারোবিক এক্সারসাইজের ধরন:
ঘরের ভেতর এবং বাইরে দুইভাবেই এটি করা যায়। আপনার সুবিধা অনুযায়ী নিয়মিতভাবে এগুলো করতে পারেন।

ইনডোর অ্যারোবিক:
এর মধ্যে আছে: সিড়ি বেয়ে ওঠা নামা করা, দড়ি লাফানো, ট্রেডমিল মেশিনে হাটা, ইনডোর সাইক্লিং ইত্যাদি।

আউটডোর অ্যারোবিক:
এর মধ্যে আছে: জগিং, হাটা, সাইক্লিং, সাতারকাটা, স্কোটং ইত্যাদি।

কয়েকটি সহজ অ্যারোবিক এক্সারসাইজ
প্রচুর ধরনের অ্যাক্টিভিটি এই ওয়ার্ক-আউটের মধ্যে পড়ে। তবে সবচেয়ে সাদামাটা কিংবা সহজ অ্যারোবিক হলো হাঁটা। এ ছাড়া সাইকেল চালানো, দৌড়ানো, স্কিপিং, রোলার স্কেটিং, বাস্কেটবল খেলাও এর অন্তর্ভুক্ত।rupcare_aerobics exercise2

হাঁটা:
যারা সদ্য এক্সারসাইজ শুরু করেছেন বা যাদের মূল লক্ষ্য অতিরিক্ত ওজন কমানো, তাদের ক্ষেত্রে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। তবে এক্ষেত্রে ধৈর্র্য ধরতে হবে। আস্তে আস্তে হাঁটার সঙ্গে জগিংও আরম্ভ করতে হবে। জগিং হাঁটার চাইতে বেশি ইনটেন্স তাই তাড়াতাড়ি ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করে।

সাইকেল চালানো:
(আউটডোর বা স্টেশনারি) যারা অ্যাক্টিভ থাকতে পছন্দ করেন বা খেলাধুলায় রুচি রাখেন, তাদের জন্য সাইকেল চালানো খুব ভালো এক্সসারাইজ।

জগিং বা দৌড়ানো:
যারা বাড়ির বাইরে এক্সারসাইজ করতে পছন্দ করেন তারা জগিং করতে পারেন নিশ্চিন্তে। জগিং করার জন্য ভোর বা সন্ধ্যাবেলা সবচাইতে ভালো সময়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, অ্যারোবিক এক্সারসাইজের মধ্যে জগিং সবচেয়ে ভালো এক্সারসাইজ। কেননা এতে অতিরিক্ত মেদ কমানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে।

Check Also

লকডাউনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেসব ব্যায়াম করবেন

করোনার কারণে প্রায় সবাই ঘরে বন্দি। দীর্ঘ সময় কাটছে আলস্যে। তাই অলস সময় পার না …