সইফের সঙ্গে করিনার বিয়ে, সৎ মা-র সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সারা

ছোট থাকতেই ‘কভি খুশি কভি গম’ যে কতবার দেখেছেন, তার কোনও ইয়ত্তা নেই। যেখানে পু (করিনার নাম) ছিল তাঁর প্রিয় চরিত্র। পর্দায় পু-কে দেখেই বার বার মুগ্ধ হয়েছেন তিনি। আর সেই পু-ই যখন তাঁর আসল জীবনে সৎ মা হয়ে আসেন, তখনও খুশি হয়ে যান তিনি। একটি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাতকারে হাজির হয়ে সম্প্রতি সৎ মা করিনা কাপুর খান সম্পর্কে নিজের মনের কথা খুলে বলেন সইফ-কন্যা সারা।

তিনি বলেন, করিনা কাপুর খানের সব কিছুই তাঁর ভাল লাগে। অভিনয় থেকে শুরু করে, তাঁর স্টাইলিং, সারা যেন বেবোর আপাদমস্তক ভক্ত। আর তাই তো, সৎ মা হলেও, কখনও করিনার প্রশংসা করতে ভোলেন না ‘কেদারনাথ’ অভিনেত্রী। বিয়ের পরও করিনা কাপুর খান যেভাবে কেরিয়ার, সংসার এবং সন্তান একসঙ্গে সামলাচ্ছেন, তা তাঁকে মুগ্ধ করে বলেও জানান সারা। শুধু তাই নয়, ছোট থেকে যে পু-এর ভক্ত ছিলেন, তিনি-ই যখন তাঁর পরিবারে সামিল হন, তখন তাঁর খুশির অন্ত ছিল না বলেও জানান সারা।

১৯৯১ সালে অমৃতা সিং-কে বিয়ে করেন সইফ আলি খান। প্রায় ১২ বছরের বড় অমৃতার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা নিয়ে পতৌদি পরিবারের আপত্তি থাকলেও, ছোটে নবাব তা শোনেননি। অমৃতাকে বিয়ের পর জন্ম হয় সারা, ইব্রাহিমের। কিন্তু, দুই সন্তান জন্মানোর পর পরই অমৃতা সিং-এর সঙ্গে ২০০৪ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় সইফের। এরপর ২০১২ সালে ‘টশন’-এর সহঅভিনেত্রী করিনা কাপুরকে বিয়ে করেন সইফ আলি খান।

এ বিষয়ে সারাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তাঁর বাবা কখনও করিনাকে তাঁদের সামনে এনে হাজির করে বলেননি যে ‘এটা তোমাদের দ্বিতীয় মা’। আর সেই কারণেই করিনার সঙ্গে ক্রমশ বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তাঁদের। তবে শুধু সারা নন, করিনাও যে সইফের প্রথম পক্ষের দুই সন্তানকে আপন করে নিয়েছেন, তা বেশ স্পষ্ট অভিনেত্রীর কথা থেকেই।

সারা আলি খানের ‘কেদারনাথ’ মুক্তি পাওয়ার পর প্রশংসায় ভরিয়ে দেন করিনা। সৌন্দর্য এবং বুদ্ধিমত্তার মিশেল সারার মধ্যে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি আরও বলেন, সারা এবং ইব্রাহিমের খুব ভাল বন্ধু তিনি। কারণ সারা এবং ইব্রাহিমের কাছে ইতিমধ্যেই একজন সুন্দর মনের মা রয়েছেন। তাই নতুন করে তাঁদের আর কোনও মায়ের প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন করিনা কাপুর খান।

Check Also

স্পা-তে গিয়ে গ্রেফতার অভিনেতা, যা বললেন তার স্ত্রী

‘রাস্তায় এখন ওকে দেখলে সবাই অভিনেতা নয়, অপরাধী হিসেবে দেখবে। ইন্ডাস্ট্রিতে ওর ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে …