গরমে কীভাবে সুস্থ থাকবেন? রইল গ্রীষ্মকালের সম্পূর্ণ ‘গাইডলাইন’

শুরু হয়ে গিয়েছে গ্রীষ্মকাল! জীবন জেরবার! বাড়ির বাইরে পা রাখার আগে চোখে পানি! কড়া রোদের দাপটে নাজেহাল অবস্থা! গরমে যে শুধু কষ্টই হয় এমনটা নয়, গরমের দাপটে মানুষ অসুস্থও হয়ে পড়েন। কী করে গরমের মোকাবিলা করবেন ? কীভাবে গ্রীষ্মে সুস্থ রাখবেন নিজেকে? রইল সে সম্পর্কে কিছু টিপস–

১। গরমের কারণে কিছু ক্ষেত্রে শরীরে সোডিয়াম-পটাসিয়ামের পরিমাণ কমে সমস্যা দেখা দেয়। কাজেই রোদের মধ্যে খুব বেশি ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত সূর্যের তাপ সব চেয়ে বেশি থাকে। ওই সময়ে বাইরে না বের হওয়ায় উচিত।

২। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টোর মধ্যে বাড়ি বা অফিসের বাইরে বেরতে হলে দু’টি বিষয়ে সতর্ক থাকুন– শরীরে যেন পানির ঘাটতি না ঘটে। ঘামের সঙ্গে যেহেতু নুনও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, তাই শরীরে জলের পাশাপাশি নুনও যাওয়া দরকার। কাজেই ডাবের জল, চিঁড়ে-মুড়ি ভেজানো জল শরীরের পক্ষে আরামদায়ক।

৩। জিভে যদি লালা না থাকে তা হলে সমস্যা। ক্লান্ত লাগলে বিশ্রাম নিন। খালি পেটে ঘুরবেন না। প্রচুর পানি, ওআরএস, ফলের রস খান। রাস্তার ধারের কাটা ফল, মশলাযুক্ত খাবার ও জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন। সুতির জামা পড়ুন। সানগ্লাস, সানস্ক্রিন, টুপি অথবা ছাতার ব্যবহার মাস্ট!

৪। রোদ থেকে ঘামযুক্ত অবস্থায় এসি ঘরে ঢুকে শরীর এলিয়ে দেবেন না। গরম-ঠান্ডার হেরফেরে সর্দি, কাশি ও জ্বরের কবলে পড়তে পারেন। অনেকে ১৬, ১৮, ২০ ডিগ্রিতেও এসি চালান। এটা ঠিক নয়। এসি অন্তত ২৪ ডিগ্রির উপরে থাকা উচিত। প্রয়োজনে ২৭ ডিগ্রিতে এসি চালিয়ে ফ্যান চালান।

৫। সর্দিগর্মির পাশাপাশি বাচ্চারা এ সময়ে পেটের অসুখে ভোগে। বাচ্চারা অনেক সময়ে রোদের মধ্যে দৌড়ঝাঁপ করেই এসি-র মধ্যে ঢুকে পড়ে। কিন্তু ঘাম শুকোনোর পরেই এসি-র মধ্যে যাওয়া উচিত। না হলে গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি, জ্বর হতে পারে।

Check Also

জেনে নিন ডেঙ্গু হলে রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে কোন খাবার উপযোগী

ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগীরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। একজন সুস্থ মানুষের রক্তে …