ভুল চিকিৎসায় অকালে হারিয়ে গেলেন মেধাবী ছাত্রী ফারিহা

সবাইকে কাঁদিয়ে অকালে না ফেরার দেশে চলে গেলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৪৬তম আবর্তনের ইংরেজি বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ফারিহা নুসরাত জেরিন। ৯ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ভোর রাতে ঢাকা সেন্ট্রাল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এলার্জির ইঞ্জেকশনের ওভারডোজের কারণে ইন্টারনাল ব্লিডিং শুরু হয়েছিল তার। এতে ১০ দিনে ৮০ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন ছিল। এই রক্ত ম্যানেজ করতে ওঠে-পড়ে লেগেছিল জাবির শিক্ষার্থীরা। রক্তও ম্যানেজ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু সব কিছু ঠিক-ঠাক হওয়ার আগেই সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন তিনি।

ফারিহা নুসরাত জেরিনের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়, কিন্তু পরিবারের সঙ্গে ঢাকার সেন্ট্রাল রোডে থাকতেন। ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি পাস করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন। দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন তিনি। থাকতেন জাহানারা ইমাম হলে। তৃতীয় বর্ষে ওঠার আগে তার পথচলা চিরদিনের মতো থেমে গেল।

এ দিকে, তার এই অকাল মৃত্যুতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

Check Also

নুসরাত হত্যার নেপথ্যে ভয়ঙ্কর কারণ

কেন হত্যা করা হয়েছে নুসরাত জাহান রাফিকে? আর হত্যার জন্য আগুনই বা কেন বেঁচে নেয়া …