কোন গায়ের রঙে কেমন লিপস্টিক মানানসই

খাবারের ক্ষেত্রে যেমন লবণ, তেমনই নারীর সাজের ক্ষেত্রে লিপস্টিক। চমৎকারভাবে সাজগোজ করেও শুধু একটুখানি লিপস্টিক না পরলে আপনার সাজ পরিপূর্ণ হবে না একদমই। কিন্তু যেকোনো রঙের লিপস্টিক পরলেই চলবে না, বেছে নেয়া চাই গায়ের রঙের সঙ্গে সবচেয়ে মানানসই শেড। জেনে নিন লিপস্টিকের কোন শেডটা আপনার ত্বকের সঙ্গে সবচেয়ে ভালো মানাবে-

শ্যামবর্ণ: অনেকেই মনে করেন শ্যামবর্ণ হলে বোধহয় লিপস্টিকের শেড নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা যাবে না। এটা একদমই ভুল ধারণা। সত্যি বলতে শ্যামবর্ণরা খুব সহজেই গাঢ় শেডের লিপস্টিক পরতে পারেন। ওয়াইন, লাল, রাস্ট, কিছু বিশেষ শেডের কমলার মতো লিপস্টিক আপনাদের পক্ষে দারুণ মানানসই।

ফর্সা: অনেকে মনে করেন গাঁয়ের রং ফর্সা হলেই বুঝি সব রঙের লিপস্টিক মানিয়ে যায়। ফর্সা হলেই যে আপনি সব রং পরলে তা মানানসই হবে, এমন নয়। যেসব মেয়ে ফরসা, তাদের ত্বকের আন্ডারটোন সাধারণত গোলাপি ঘেঁষা হয়, ফলে গোলাপির নানা শেড তারা চোখ বন্ধ করে পরতে পারেন। হালকা গোলাপি, বেবি পিঙ্ক, ফুশিয়া তাদের উপযোগী। এমনকী, একটু চড়া মেকআপ করতে চাইলে বেছে নেওয়া যায় নিয়ন পিঙ্কও। তাই চোখ রাখুন হালকা রংগুলোর দিকেই।

মাঝারি রং: যাদের গায়ের রং ফর্সার থেকে এক শেড কম অর্থাৎ মাঝারি, তাদের বেশিরভাগেরই হলুদ আর গোলাপি আন্ডারটোন থাকে। ফলে লিপস্টিকের শেড নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করার ক্ষেত্রটাও তাদের বিশাল। বেরি, মভ, পিঙ্ক ন্যুড, লাল, কফি ব্রাউন – লিপস্টিকের বিশাল সম্ভার থেকে বেছে নিন পছন্দের রং।

গমরঙ: মাঝারি গায়ের রঙের মতোই গমরঙা ত্বকেও অজস্র শেডের লিপস্টিক মানিয়ে যায়। কোরাল, রাস্ট, মেরুন, খয়েরি, নানান শেডের লিপস্টিক পরতে পারেন স্বচ্ছন্দে। তাহলে বেছে নিন নিজের জন্য সবচেয়ে মানানসই রংগুলো।

Check Also

নিজের তৈরি ক্রিমেই দূর হবে বয়সের ছাপ!

অল্প বয়সেই নানা কারণে ত্বকে বয়সের ছাপ পরে যায়। এর ফলে অনেকেই অস্বস্তিতে ভোগেন। তাছাড়া …