Advertisements

খাদিজার বাড়িতে জমজমাট ‘বরভাত’ অনুষ্ঠান

image-102801 খাদিজার বাড়িতে জমজমাট ‘বরভাত’ অনুষ্ঠান

কনে খাদিজা আক্তারেরবাড়িতে হয়ে গেল জমজমাট ‘বরভাত’ অনুষ্ঠান। এর আগে শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রচলিত নিয়ম ভেঙে কনে খাদিজা বর তরিকুলকে বিয়ে করে বাড়ি ফেরেন। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) খাদিজার বাড়িতে আয়োজন করা হয় জমজমাট ‘বরভাত’অনুষ্ঠানের।

বিয়ের পরে বরের বাড়িতে আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে যে আয়োজন, সেটাকে বলে ‘বউভাত’। যেহেতু এবার বউয়ের বাড়িতে এই আয়োজন, তাই এক বলে হচ্ছে ‘বরভাত’।

‘বরভাতের’ এ অনুষ্ঠান হয়েছে খাদিজা আক্তারের বাড়ি—চুয়াডাঙ্গা সদরের হাজরাহাটি গ্রামে।

‘বরভাত’ অনুষ্ঠানের বিষয়ে বর তরিকুল বলেন, বিয়ের ঘটনা সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ‘বরভাতের’ অনুষ্ঠানেও অনেক মানুষ যোগ দিয়েছেন। তারা এই ধরনের বিয়েকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

Advertisements

খাদিজার বাবা কামরুজ্জামান বলেন, ‘মেয়ের বিয়ের ঘটনা এখন সবার মুখে মুখে। এই কারণে সকাল থেকেই এলাকার মানুষ ভিড় করেছে বরকে এক নজর দেখার জন্য। মেয়ের বিয়েতে সবকিছুই উল্টো করা হচ্ছে। অনেকে এতে বেশ মজা পেলেও অনেকে মানুষ আবার সমালোচনাও করছেন।

নববধূ খাদিজা আক্তার বলেন, ভিন্ন ধরনের বিয়েতে আরো একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে এই ‘বরভাতের’ আয়োজন। ‘বরভাতের’ অনুষ্ঠানে অনেকে এসে তাদের দোয়া করছেন।

তরিকুলের বাবা আবদুল মাবুদ বলেন, অনেক সমালোচনা সহ্য করে ওই রকম একটি বিয়ে দিতে হয়েছে। বিয়েতে সব চেয়ে সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন খাদিজা। ‘বরভাতের’ অনুষ্ঠানও খাদিজা-তরিকুলের ইচ্ছাতে হয়েছে। নারী-পুরুষ সমতা তৈরিতে খাদিজা-তরিকুলের বিয়ে সমাজে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।

জেলা প্রশাসক আতাউল গনি বিয়ের ঘটনাটি ফেসবুক ও গণমাধ্যমে দেখেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, খাদিজা-তরিকুলের বিয়েটি নারী মর্যাদার লড়াইয়ে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। আগামী দিনে অনেকে তাদের মতো বিয়ে করতে চাইবে। সমাজে নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠা পাবে।

Advertisements

Check Also

স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর সহযোগিতা

বিস্ময়ের শেষ নেই ফরিদার। দুশ্চিন্তা ছিলো হয়তো সংসার আর টিকবে না। বিষয়টি জানার পর ফরিদার …