Advertisements

আমাকেও মেরে ফেলুন, বাবা-মা একবারেই কষ্ট পাবে: আবরারের ছোট ভাই

abrar-1 আমাকেও মেরে ফেলুন, বাবা-মা একবারেই কষ্ট পাবে: আবরারের ছোট ভাই

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করতে কুষ্টিয়া এসে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়া পৌঁছে আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে তিনি আবরারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাকে বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি এলাকাবাসী। এ দিকে আবরারের ছোটভাই ফায়াজকে পুলিশ মারধর করেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এ নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে।

Advertisements

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ ফেসবুকে লিখেছেন, আজকে এডিশনাল এসপি। কোথা থেকে সাহস পান আমার গায়ে হাত দেয়ার? আমার ভাবিকে মারছেন? নারীদের গায়ে নিষ্ঠুরভাবে হাত দেন আপনারা? এই চাটুকারদের কি বিচার হবে না? তিনি কালকে ২ মিনিটের মধ্যে জানাজা শেষ করতে বলেছেন কীভাবে? যেই ছাত্রলীগ মারল তারা কেন সর্বত্র? আমার বাবাকে হুমকি দেয়া হয়েছে, আপনার আরেক ছেলে ঢাকা থাকে, আপনি কি চান তার ক্ষতি হোক। আজ বলেছেন কেউ কিছু করলে এক সপ্তাহ পর গ্রামের সব পুরুষ জেলে থাকবে। বিচার চাই, আমি বিচার চাই…নয়তো আমাকে মেরে ফেলুন। বাবা-মা কষ্ট একবারে পাবে।

fasiyex আমাকেও মেরে ফেলুন, বাবা-মা একবারেই কষ্ট পাবে: আবরারের ছোট ভাই

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুয়েট ভিসি শুধুমাত্র আবরারের কবর জিয়ারত করতে পেরেছেন। তিনি আবরারের বাড়িতে ঢুকতে চাইলে তাকে বাধা দেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এসময় তাকে অবরুদ্ধ করে বিভিন্ন গালিগালাজ করেন তারা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ এলাকাবাসীকে ছত্রভঙ্গ করে ভিসিকে উদ্ধার করতে গেলে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে।

Advertisements

Check Also

পরীক্ষায় এলো করোনা পজেটিভ, রাতেই মারা গেলেন জাবি শিক্ষার্থী

করোনায় আক্রান্ত হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর (৪৪তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন মিনা মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি …