চুল পড়া ও ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকায় এই পাতাটি

থানকুনি পাতা দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম সেনটেলা একিয়াটিয়াক। রাস্তার পাশে, পুকুর বা জলাশয়ের পাড়ে হরহামেশায় এর দেখা মেলে। গ্রামাঞ্চলে থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি আমল থেকেই চলে আসছে। ছোট্ট প্রায় গোলাকৃতি পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সব গুণ।

থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্য়াটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে কম বয়সে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে

আপনার প্রয়োজন মত থানকুনি পাতা আর পাকা পেঁপে নিন। এবার এক সঙ্গে ব্লেন্ড করে পেস্ট বানিয়ে নিন। এটি ২০ মুখে মেখে রেখে দিন। হালকা শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বককে জ্বালাপোড়ার হাত থেকে দিতে পারেন মুক্তি।

শরীরের রোদেপোড়া ভাব কমাতে

থানকুনি পাতা, পাকা পেঁপে, বেসন অথবা ডালের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে রোদেপোড়া জায়গায় লাগান। ২০ থেকে ২৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার ত্বক উজ্জ্বলও হবে।

টোনার হিসেবে থানকুনি পাতা

টোনার হিসেবে থানকুনি পাতার রয়েছে অসাধারণ কার্যকারীতা। কিছু থানকুনি পাতা নিয়ে পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এটি ছোট ছোট ভাগে ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ বানিয়ে নিন। এবার এটি আপনার ত্বকে লাগিয়ে নিন।

থানকুনি পাতার জেল

থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে সমপরিমাণে এলোভেরা জেল মিশিয়ে বানিয়ে নিন থানকুনির জেল। এটি আপনি ৭ দিন পর্যন্ত নরমাল ফ্রিজে রেখে সংরক্ষন করতে পারেন।

চুল পড়া কমাতে

পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা নিয়ে তা থেঁতো করে নিতে হবে। তারপর তার সঙ্গে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা এবং আমলা মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। পেস্টটি চুলে লাগিয়ে নিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। ১০ মিনিট পরে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন চুল। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে কম করে ২ বার এইভাবে চুলের পরিচর্যা করলেই দেখবেন

Check Also

যে কারণে শ্বেতী বা ধবল রোগ হয়

শ্বেতী বা ধবল রোগ নিয়ে আমাদের সমাজে নানা ধরনের কুসংস্কার প্রচলিত আছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। …