মন যেভাবে ওজন হ্রাসে বাধা হয়ে দাঁড়ায়


যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্যে সহায়ক দুটি সাধারণ উপায় হলো সুষম খাদ্যতালিকা এবং নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন। আপনি যখন ওজন কমানোর মহাযজ্ঞে নামেন, তখন কেবল খাবার আর ব্যায়ামই সফলতার চাবিকাঠি নয়। আরো একটি শক্তিশালী অনুঘটক রয়েছে যেগুলো আমাদের চিন্তার বাইরে থেকে যায়। আর তা হলো মানসিক অবস্থা। মনের নানা অবস্থা কিন্তু আপনার ওজন হ্রাসের যুদ্ধে পরাজয় ডেকে নিয়ে আসতে পারে। এখানে বিশেষজ্ঞরা মানসিক বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। ভালো ফলাফলের জন্যে এদের এড়িয়ে গেলে চলবে না। এখানে ধারণা নেওয়া যাক।

অবাস্তব লক্ষ্য নিয়ে এগোবেন না
বেশিরভাগ মানুষ সিদ্ধান্ত নেন যে কয়েক দিনের ব্যবধানেই দ্রুত ওজন কমাবেন। এটাই প্রথম ভুল হিসেবে পরিগণিত হয়। ধরুন, আপনি সপ্তাহে ৫ কেজি ওজন হ্রাসের পরিকল্পনা হাসে নিলেন। যে পদ্ধতিতেই আগান না কেন, সপ্তাহে ৫ কেজি কমানো প্রায় অসম্ভব। এ লক্ষ্যে এগোলে শেষ পর্যন্ত আপনি হতাশ হবেন এবং প্রেরণা হারাবেন। আপনার সক্ষমতা মূল্যায়ন করুন এবং দীর্ঘমেয়াদী বাস্তববাদী লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।

ওজন না কমার আর কোনো কারণ আছে কি?
অলসতা আরেকটি কারণ ওজন না কমার। অনুশীলন শুরুর পর যদি অযাচিত কারণে বন্ধ রাখেন তো ফল মিলবে না। ওজন কমানোর সময় কার্বোহাইড্রেট খাওয়া বাদ দিতে হবে। যারা এ কাজে সফল হন, তারা উপকৃত হন। ওজন কমানোর প্রচেষ্টা ধারাবাহিক রাখতে হবে। এর জন্য বেশ কয়েক মাস কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই।

আত্মবিশ্বাসের অভাব
নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন। যদি আপনার আত্মবিশ্বাস না থাকে তবে ওজন কমানো আপনার পক্ষে বেশ কঠিন হবে। আপনার ৯০ কেজি বা তার বেশি ওজন হওয়া কোনো বিষয় নয়। ওজন কমানোর জন্য সবসময় কোনো না কোনো উপায় থাকেই। কাজেই আপনিও পারবেন। পরিশ্রম করতে মানসিক প্রস্তুতি নিন এবং ওজন হ্রাসের ইচ্ছাটা তীব্রতর করুন।

স্ট্রেস
এটি অস্বীকার করা যায় না যে আধুনিক বিশ্বে স্ট্রেস আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে ওজন কমানোর সময় অতিরিক্ত চাপ নেওয়া আপনার পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে। স্ট্রেস আপনার অগ্রগতি থামিয়ে দেবে। সুতরাং, আপনার মনকে শান্ত ও শিথিল করুন।

Check Also

যে ৫ কাজ ভালোবাসাকে গভীর করে

নতুন বছরে কত কী করার পরিকল্পনা থাকে আমাদের! নিয়ম মেনে খাওয়া, বেড়াতে যাওয়া, ঝুলে থাকা …