শিশুর রাগ কমানোর উপায়

অনেক সময় ছোট ছেলে-মেয়েরা খুব জেদি হয়ে যায়। তারা যেটা চাইছে, তখনই না পেলে কান্নাকাটি শুরু করে। একটি শিশুকে যেমন আদর-যত্নে বড় করে তুলতে হয়, তেমনই তার মনেরও খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি।

শিশুদের মন অত্যন্ত নরম। সেখানে কোনো আঘাত লাগলে তা ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই শিশুকে কী বলবেন, কীভাবে বলবেন, তা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করা অত্যন্ত জরুরি।

অনেক সময় ছোট ছেলে-মেয়েরা অনেক কিছুর জন্য বায়না করে, যা তাদের তখনই দেয়া সম্ভব হয় না। এসব ক্ষেত্রে সরাসরি ‘না’ বলবেন না। যেকোনো নেগেটিভ শব্দ শিশুদের মনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

জেনে নিন, সরাসরি ‘না’ বলে আর যেভাবে শিশুর মনকে অন্যদিকে ঘোরাতে পারেন:

১. যদি মনে হয় যে আপনার শিশু যা চাইছে তা তাকে দেয়া যেতেই পারে তবে এখনই নয়, তাহলে তাকে বলুন, ‘হ্যাঁ তুমি এটা পাবে তবে পরে’। যেমন- ‘আগে স্কুলের ব্যাগ গুছিয়ে নাও, তারপরে ক্যান্ডি পাবে।’

২. অনেক সময় ছোট ছেলে-মেয়েরা খুব জেদি হয়ে যায়। তারা যেটা চাইছে, তখনই না পেলে কান্নাকাটি শুরু করে। তাদের তখন ‘না’ না বলে বরং তাদের মন অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করুন। অন্য কথা বলে বা অন্য কিছু দেখিয়ে তাদের মন অন্যদিকে ব্যস্ত করে দিন।

৩. অনেক সময় ছোট ছেলেমেয়েরা ছুরি-কাঁচি বা অন্য কোনো বিপজ্জনক জিনিস নিয়ে খেলার বায়না করে। সেক্ষেত্রে তাদের অন্য কোনো খেলনা দিয়ে ভোলানো চেষ্টা করুন। তাদের বলুন যে ছুরি-কাঁচি না নিয়ে তুমি বরং এটা নিয়ে খেলো। সেই খেলায় আপনিও তার সাথে যোগ দিন। খেলা জমে উঠলে বায়না ভুলতে শিশুর সময় লাগবে না।

Check Also

যে কারণে শিশুরা করোনায় অসুস্থ হচ্ছে না

চীনে গত ৫ই ফেব্রুয়ারি জন্মের মাত্র ৩০ ঘণ্টা পর এক নবজাতকের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা …