এবার ফ্রান্সে পানিতে মিলল করোনাভাইরাস!

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রলয় সৃষ্টি করেছে আণুবীক্ষণিক জীব নভেল করোনারভাইরাস। গুঁড়িয়ে দিচ্ছে মানবজাতির সভ্যতা ও বিজ্ঞানের দম্ভ। কোন ওষুধ নেই, প্রতিষেধক নেই। শুধুই মৃত্যুর অপেক্ষা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা উঠেপড়ে লেগেছেন একটা ওষুধ বা ভ্যাকসিন তৈরিতে। এখনও সফলার মুখ দেখেননি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক শীর্ষ কর্মকর্তা তো বলেই দিয়েছেন, এসব চেষ্টাতে কোনো লাভ হবে না। অদূর ভবিষ্যতে করোনার কার্যকরি কোনো প্রতিষেধক তৈরি হওয়ার নিশ্চয়তা নেই।

বিশ্বজুড়ে হু হু করে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। এরই মধ্যে করোনার সংক্রমিত রোগ কভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৬ লাখে পৌঁছেছে। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজারেরও বেশি মানুষের। কিভাবে এত দ্রুত ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস? বিজ্ঞানীরা বেশ ধন্দে পড়েছেন সঠিক কারণ খুঁজে বের করতে। এতদিন ধারণা করা হচ্ছিল শুধু মানুষের মাধ্যমেই এই ভাইরাস ছড়ায়। তবে এবার ফ্রান্সে দেখা গেল আঁতকে ওঠার মতোই এক ঘটনা। প্যারিসের সাপ্লাইয়ের পানিতে মিলেছে করোনাভাইরাসের সন্ধান। এতে অনেকেই পাইপলাইনের পানি পান থেকে বিরত থাকছেন।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্যারিসের যে পানিতে করোনার সন্ধান পাওয়া গেছে, তা জনসাধারণের পাইপলাইনে ব্যবহার করা হয় না। মূলত প্যারিসের বিখ্যাত সেইন নদী থেকে এ পানি উত্তোলন করে শুধু রাস্তা পরিষ্কার বা বাগানে ছিটানো হয়। এছাড়া প্যারিসের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা বিখ্যাত ফোয়ারাগুলিতেও এ পানিই ব্যবহার করা হয়। প্যারিস ওয়াটার সাপ্লাই অথোরিটি সেইন নদী থেকে এ পানি উত্তোলন করে।
সংস্থাটি জানায়, এ ঘটনায় সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়া কোনো কারণ নেই। এতে মানুষের কোন সমস্যা হবে না। কারণ তাদের জন্য পানীয় জলের যে পাইপলাইনগুলো আছে, তার সঙ্গে এটির কোনো সম্পর্ক নেই। সেগুলি সম্পূর্ণ একটি বিচ্ছিন্ন সিস্টেমে চলে। তাই আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। কিন্তু এরপরও মানুষের মধ্যে ভয় কাটছে না।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ২৭টি বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল পৌরসভার পানির নমুনা। তার মধ্যে ৪টি নমুনায় সামান্য পরিমাণে করোনাভাইরাসের সন্ধান মিলেছে বলে জানিয়েছে প্যারিস ওয়াটার অথরিটি। নমুনা পরীক্ষায় কভিড-১৯ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেয়া হয় সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কটি।

সূত্র- ইকোনমিক টাইমস।

Check Also

গরমকালের বউ, মাত্র ২০ দিনের জন্য

মুসলিম পুরুষদের শর্ত সাপেক্ষে চার স্ত্রী গ্রহণের বিধান রয়েছে ইসলাম ধর্মে। তাই বলে কেবল গ্রীষ্মকালের …