Advertisements

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা কিট কাজ করবে যেভাবে : ৯৩ শতাংশের বেশি সাফল্য!

23452590 গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা কিট কাজ করবে যেভাবে : ৯৩ শতাংশের বেশি সাফল্য!

করোনাভাইরাস দ্রুত পরীক্ষা করতে গতকাল র‌্যাপিড কিটের উদ্বোধন করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এখন এগুলো সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে পরীক্ষার আগে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান না সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে ১০ হাজার কিট প্রস্তুত আছে। এর মধ্যে পরীক্ষার জন্য কয়েক শ কিট নিতে পারে সরকার। ডা. জাফরুল্লাহ আশা করছেন, এই কিট দেওয়ার পর কিছুদিনের মধ্যে সরকার চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে।

অনুমোদন পাওয়ার পর পর্যায়ক্রমে এক লাখ কিট দেওয়া হবে।

গত ১৭ মার্চ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র জানায়, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের পরীক্ষার জন্য তারা একটি কিট তৈরি করেছে। করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের ‘জিআর র‌্যাপিড ডট বট ইমিউনোঅ্যাসি’ কিট তৈরির জন্য গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গবেষক দলের নেতৃত্ব দেন ড. বিজন কুমার শীল।

কিব্লাড গ্রুপ যে পদ্ধতিতে চিহ্নিত করা হয়, র‌্যাপিড ডট ব্লট নামের এই কিট অনেকটা একই রকম পদ্ধতিতে কাজ করবে বলে জানান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য র‌্যাপিড টেস্ট কিটগুলোয় সাধারণত শুধু অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা হয়ে থাকে, যেটা ভারতে হয়েছে। ফলে সেখানে অনেক সময় ভুল-ভ্রান্তি হতে পারে। আমাদের এই কিটে অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন—দুটোই পরীক্ষা করা হবে।’

Advertisements

তিনি জানান, সিরিঞ্জের মাধ্যমে তিন সিসি রক্ত নেওয়ার পর সেটা সিরাম আর সেল আলাদা করে ফেলা হবে। পরে সেটা থেকে অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করে দেখা হবে। সব মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১৫ মিনিট সময় লাগবে। এর মধ্যেই বোঝা যাবে যে রক্তদাতা করোনাভাইরাসের পজিটিভ নাকি নেগেটিভ।

এই কিটগুলো ব্যবহার করে ৯৩ শতাংশের বেশি সাফল্য পাওয়ার কথা দাবি করেছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি জানান, সংক্রমিত বাংলাদেশিদের রক্তের ওপর গবেষণার পরই এসব কিট তৈরি করা হয়েছে। এর আগে সরকার পাঁচটি রক্তের নমুনা পাঠানোর পর সেগুলোর ওপর গবেষণা চালানো হয়।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলছেন, ‘লকডাউন তুলে দেওয়ার পর দেশ-বিদেশ থেকে অনেক মানুষ আসতে শুরু করবে। তাদের দ্রুত পরীক্ষা করতে হবে। সে জন্য এই টেস্ট কিটগুলো উপকারে আসবে।’

তিনি জানান, এসব কিট ব্যবহার করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের সহজেই প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব। ফলে দেশের যেকোনো স্থানে এই কিট ব্যবহার করে করোনাভাইরাস রোগীদের দ্রুত শনাক্ত করা যাবে। বিশেষ করে বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোয় বেশি কাজে আসবে। এগুলোর দাম কত হতে পারে—তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

Advertisements

Check Also

অভিজাত এলাকায় বিচরণ ডিজে নেহার, চলত উদ্যাম নৃত্য

ছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে অতিরিক্ত মদপান করিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় …