Advertisements

স্ত্রীর কাছে চিকিৎসকের শেষ চিঠি, বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

image-155505-1587728395 স্ত্রীর কাছে চিকিৎসকের শেষ চিঠি, বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণের সময়ে একের পর হৃদয় ভাঙা গাথা তৈরি করেছে। তেমনই এক গল্প জোনাথন জন কোহলেরো। তিনি স্বাস্থ্যকর্মী। করোনা আক্রান্তদের সেবা করতে করতে তিনিও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। সেখানেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। কিন্তু মৃত্যুর আগে তিনি এক উজাড় করা ভালবাসার চিঠি লিখে যান নিজের স্ত্রীয়ের জন্য। যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে নানা আলোচনা। সেখানে তিনি স্ত্রীর জন্য লেখেন, ‘তোমাকে উজাড় করে ভালবেসেছিলাম।’‌

Advertisements

স্বামীর মৃত্যুর ঠিক আগে হাসপাতালে পৌঁছতে পারেননি স্ত্রী। তাই শেষবারে জন্য জন দেখা পাননি স্ত্রীয়ের। শেষে যখন এলেন স্ত্রী, তখন জন মৃত। শেষকৃত্যের পর স্বামীর জিনিস পত্র, ফোন, সব গুছিয়ে দুই সন্তানের কাছে যাচ্ছিলেন তিনি। তখনই একটি নোট খুঁজে পান জনের স্ত্রী কেটি। সেখানে লেখা ছিল, ‘আমার প্রাপ্যর থেকেও অনেক বড় একটা জীবন তোমরা আমাকে উপহার দিয়েছো!‌ আমি ভীষণ ভালবাসি তোমাদের। আমি ভাগ্যবান ও গর্বিত যে তোমার মতো স্ত্রী পেয়েছি। আর ব্রেডিন আর পেনির মতো সন্তান পেয়েছি।’‌

এরপরে স্ত্রীকে নিয়ে ভালবাসায় ভরা একের পর এক কথা উপহার দিয়ে চলেন জন। স্ত্রী কতখানি ভালবাসায়, স্নেহে আর পরিপূর্ণতায় ভরিয়ে রেখেছিলেন তাঁর জীবন, সে কথা বলেন জন। শুধু তাই নয়, কেটির মধ্যে এক অসম্ভব সুন্দর মায়ের রূপও যে তিনি দেখেছেন, তা লেখায় স্পষ্ট। দুই সন্তানের জন্যও একটি আলাদা চিঠি লিখে গিয়েছেন জন।

কলেজ থেকে দু’‌জনের দোস্তি!‌ তারপর বিয়ে। ২০১৩ সাল থেকে সংসার করছেন তাঁরা। তবে যাত্রাপথ খুব একটা মসৃণ ছিল না এই দম্পতির। জন্মের সময় এক সন্তান মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেছিল। কিন্তু তার মধ্যেও আনন্দ ছিল। আর করোনা যেন সেই আনন্দকেই এক লহমায় কেড়ে নিল।

Advertisements

Check Also

৬৪ বছর বয়সী বৃদ্ধের ২৭ স্ত্রী, ১৫০ ছেলে-মেয়ে

কানাডার অন্যতম পরিচিত ব্যক্তি উইনস্টোন ব্ল্যাকমোর। ৬৪ বছরের এই ব্যক্তির স্ত্রীর সংখ্যা ২৭। তার ছেলে-মেয়ে …