Advertisements

করোনা চেনা যাবে কাশির আওয়াজে

image-157967-1589144406 করোনা চেনা যাবে কাশির আওয়াজে

মহামারি করোনাভাইরাসে বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে গোটা বিশ্ব। উৎপত্তিস্থল চীন থেকে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের আতঙ্কে কঠিন সময় পার করছে পৃথিবীবাসী। ছোঁয়াচে হওয়ায় প্রতিনিয়তই বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। আর করোনার উপসর্গগুলোর একটি হলো কাশি। কিন্তু শুনেই কি বলে দেওয়া সম্ভব আক্রান্তের কাশি কিনা? এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর জানাতে পারবে- এমন স্মার্টফোন অ্যাপ তৈরির কাজ চলছে। নির্মাণাধীন ওই অ্যাপটির এখন ক্লিনিক্যাল টেস্টিং ধাপ শুরু হয়েছে। সব কাশি সমান নয়’- এমন ধারণা থেকেই অ্যাপটি তৈরির চিন্তা এসেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক এবং হেলথমোডের প্রধান নির্বাহী ড. ড্যানিয়েল কার্লিন।

নতুন স্টার্টআপ হেলথমোড কাজ করে স্বাস্থ্য প্রযুক্তি নিয়ে। তাদের নতুন অ্যাপের ‘কাফমোড’ পরীক্ষায় সহযোগিতা করছে স্টার্টআপটি। যেসব ব্যবহারকারী অ্যাপটি ইনস্টল করছেন, তাদের ‘কাশি’র আওয়াজ রেকর্ড করে তা জমা দিতে বলেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরপর প্রতি সপ্তাহে প্রশ্ন পাঠিয়ে তাদের স্বাস্থ্যে নজর রাখবে তারা।

Advertisements

হেলথমোড ওই অনুদানে পাওয়া শব্দভান্ডার থেকে সময়সীমা, তীব্রতা, তরঙ্গ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে জমা পড়া কাশির আওয়াজ বিশ্নেষণ করবে এবং তা প্রতি সপ্তাহে সংগৃহীত স্বাস্থ্য ডাটার সঙ্গে মিলিয়ে দেখবে। কার্লিন জানিয়েছেন, এভাবে একটি ডাটাবেইজ গড়ে তুলতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি।

এখানে মূল যে তত্ত্বটি কাজ করছে, তা হলো করোনাভাইরাস ভিন্নভাবে ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। অর্থাৎ, ফুসফুসে অন্য যত ধরনের সংক্রমণ ঘটে, তার চেয়ে এটি আলাদা। এ প্রসঙ্গে কার্লিন বলেছেন, আমরা এখনও নিশ্চিত নই যে, আসলেই আমরা কী খুঁজছি, হয়তো এটি শুনতে অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো শোনাবে বা অন্য কিছু। এটিই খুঁজে বের করার জন্য গবেষণা চলছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণের কাশি সফলভাবে শনাক্ত করতে পারলে ব্যবহারকারীদের কাছে সতর্কবার্তা যাবে।
হেলথমোড স্টার্টআপের তৈরি অ্যাপ সাধারণত ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণাগারের লোকজন ব্যবহার করত এতদিন। এখন নিজেদের সাম্প্রতিক কর্মসূচির জন্য প্রতিষ্ঠানটি স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছে।

Advertisements

Check Also

৬৪ বছর বয়সী বৃদ্ধের ২৭ স্ত্রী, ১৫০ ছেলে-মেয়ে

কানাডার অন্যতম পরিচিত ব্যক্তি উইনস্টোন ব্ল্যাকমোর। ৬৪ বছরের এই ব্যক্তির স্ত্রীর সংখ্যা ২৭। তার ছেলে-মেয়ে …