বিয়ের ১৫ উপকারিতা

বিয়ের বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে। যেমন—

১. গুনাহ ও পাপাচার থেকে নিজেকে সংবরণ করার মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ে ঈমান, ইসলাম ও সতীত্ব রক্ষা করতে পারে।

২. নারী জাতির তত্ত্বাবধান ও রক্ষণাবেক্ষণ হয়।

৩. নারীর সম্মানজনক জীবন-জীবিকা সহজ হয়।

৪. পুরুষ একজন আমানতদার নির্ভরযোগ্য সঙ্গিনী লাভ করে।

৫. বৈধ পন্থায় মানব বংশের বিস্তার হয়।

৬. সৃষ্টিগত ও স্বভাবজাত যৌন চাহিদা পূরণের বৈধ ও নিরাপদ ব্যবস্থা বিয়ে।

৭. নারী-পুরুষ উভয়ের মানসিক স্বস্তি, তৃপ্তি ও প্রফুল্ল অর্জন হয়, যা বিয়ে ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে সম্ভব নয়।

৮. নবীজি (সা.)সহ সব নবীর একটি মহৎ সুন্নত বাস্তবায়ন করা হয়। (মুসলিম, হাদিস : ১৪০০)

৯. মানবশিশু তাদের প্রকৃত পরিচয় লাভ করে সঠিক লালন-পালন ও পৃষ্ঠপোষকতার ওপর।

১০. বিয়ের দ্বারা রিজিকে বরকত ও জীবনে প্রাচুর্য আসে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা বিয়ে করো, স্ত্রীরা স্বীয় ভাগ্যে তোমাদের কাছে সম্পদ টেনে আনবে।’ (মুসনাদে বাজ্জার, হাদিস : ১৪০২)

১১. অবিবাহিত থাকলে মানসিক বা শারীরিক রোগ ও জটিলতা তৈরির আশঙ্কা থাকে।

১২. অবাধ ও অবৈধ যৌনতা এইডসের মতো মারণব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার পথ খুলে দেয়। আর বিয়ে তা থেকে মানুষকে পরিত্রাণ দেয়।

১৩. অবৈধ যৌন সম্পর্ক সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট করে।

১৪. বিয়ে মানুষকে সংসারী করে। ফলে পুরুষরা দায়িত্বসচেতন ও কর্মমুখী হয়। ভোগের মানসিকতা দূর হয়। তদ্রূপ নারীরাও দায়িত্বসচেতন ও বাস্তবমুখী হয়।

১৫. স্বামী-স্ত্রী একে অন্যকে উৎসাহ দিয়ে সুন্দর পৃথিবী বিনির্মাণের পথ সুগম করে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নবুয়ত লাভের সময় আকস্মিক ওহিপ্রাপ্তিতে ভয় পেলে খাদিজা (রা.) তাঁকে অভয় দেন এবং তাঁর পাশে থাকার ঘোষণা দেন।

Check Also

কেন হয় জমজ সন্তান!

সন্তান জন্মদান পৃথিবীর সবচেয়ে কষ্টের এবং আনন্দদায়ক কাজের মধ্যে অন্যতম। একটি নতুন প্রাণ আনন্দ উচ্ছ্বাস …