কেন হয় জমজ সন্তান!

সন্তান জন্মদান পৃথিবীর সবচেয়ে কষ্টের এবং আনন্দদায়ক কাজের মধ্যে অন্যতম। একটি নতুন প্রাণ আনন্দ উচ্ছ্বাস বয়ে নিয়ে আসে একটি পরিবারের জন্য।আর যদি যমজ সন্তান হয় তাহলেতো বাঁধভাঙা উল্লাস দেখা যায়। চিকিৎসা বিদ্যায় যমজ সন্তানের বাবা-মা হওয়ার বেশ কিছু যুক্তি রয়েছে।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক অধ্যাপক ডা. রাতু রোমানা জমজ সন্তান ধারণ বিষয়ে বেশ কিছু মতবাদ তুলে ধরেছেন ডক্টরস’ টিভির টকশোতে।

ডক্টর রোমানার মতে, যমজ সন্তান দুই ধরনের হয় আইডেন্টিকাল এবং ফ্যাটার্ন্যাল টুইন বলে এদেরকে, যারা দেখতে একরকম দেখতে হয়ে থাকে। তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনেকটা একইরকম। এদের আইডেন্টিক্যাল টুইন বলা হয়। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত বোন-বোন বা ভাই-ভাই হয়ে থাকে। অপরদিকে ফ্যাটার্ন্যাল টুইনদের স্বভাব ও চেহারা একরকম হয় না।

তিনি আরও জানান, আইডেন্টিক্যাল টুইনের একটা ডিম্বাণু দিয়ে যদি একটি শুক্রকীটের মিলন হয়। একটা ভ্রুণ তৈরির সময় সেটা যদি হার্ড হয়ে যায় তখন, হুবহু একরকম দেখতে জমজ বাচ্চা জন্ম হবে।

জমজ শিশু জন্মের পেছনে জাতিগত কিছু বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, যেমন আফ্রিকানদের জমজ বাচ্চা জন্মদান এশিয়ানদের তুলনায় অধিক হয়। আবার ফার্টিলিটি চিকিৎসায় হরমোনাল ওষুধ প্রয়োগের কারণে অনেক সময়েই বাচ্চাগুলো জমজ হয়। কারণ এই ওষুধগুলো সাধারণত ওভ্যুলেশনের সময় যেই ডিম উৎপাদন হয়, তার সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়। তাই ইদানীং জমজ বাচ্চা হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে।

আমাদের সমাজে এখনও কিছু কুসংস্কার আছে যেমন জোড়া কলা খেলে নাকি জমজ বাচ্চা হয় এটা নিছকই ভুল। সাধারণত জমজ মায়ের মেয়েদের সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রবণতা বেশি কারণ, বংশানুক্রমিকভাবে জিনটি তাদের মধ্যে চলে আসে।

Check Also

কিভাবে জান কবজ হয়

কিভাবে জান কবজ হয়—এ বিষয়ে একটি দীর্ঘ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। সংক্ষিপ্তভাবে সেই হাদিস তুলে ধরা …