Advertisements

জাপানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে জন্মহার বাড়ানোর উদ্যোগ

japan-20201208160207 জাপানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে জন্মহার বাড়ানোর উদ্যোগ

জাপানে গত কয়েক বছরে জন্মহার তুলনামূলক অনেক কম। ক্রমাগত কমতে থাকা জন্মহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে অর্থায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটির সরকার। এই প্রযুক্তি জনগণকে তাদের সঙ্গী খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। খবর বিবিসির।

লোকজনকে জুটি বাঁধতে সহায়তার জন্য দেশটির যেসব স্থানীয় সরকার ইতোমধ্যেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে অথবা ব্যবহার শুরু করবে, আগামী বছর থেকে তাদের ভর্তুকি প্রদান করা হবে।

গত বছর জাপানে ৮ লাখ ৬৫ হাজারেরও কম শিশু জন্মগ্রহণ করেছে যা দেশটির জন্মহারের সর্বনিম্ন রেকর্ড স্পর্শ করেছে। প্রবীণদের সংখ্যা বৃদ্ধির দিক থেকে বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে আছে জাপান। এছাড়া বিশ্বের অন্যতম নিম্ন জন্মহারের দেশও এটি। সে কারণেই জন্মহার বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি খুঁজছে দেশটির সরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ এসব পদ্ধতির সর্বশেষ উদাহরণ।

Advertisements

এএফপির বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জন্মহার বাড়াতে আগামী বছর স্থানীয় সরকাগুলোকে ২ বিলিয়ন ইয়েন (১৬১ কোটি টাকারও বেশি) প্রদান করবে জাপান সরকার।

ইতোমধ্যেই মনুষ্য চালিত ‘ম্যাচমেকিং’ বা ঘটকালি সেবা পরিচালনা করছে দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় সরকার। এর মধ্যে বেশ কিছু স্থানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগও চালু হয়েছে। আশা করা হচ্ছে প্রযুক্তির এই ব্যবহারের ফলে লোকজনের জমা দেয়া তথ্যগুলো আরও জটিলভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে যা তাদের সঙ্গী পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করবে।

এ প্রসঙ্গে জাপানের এক সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা স্থানীয় সরকারগুলোকে ম্যাচমেকিং সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য অর্থ প্রদানে বিশেষ পরিকল্পনা করছি। আশা করছি জন্মহার বৃদ্ধিতে এটি কাজে লাগবে।’

জাপানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জনসংখ্যা ছিল ২০১৭ সালে। সে সময় জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৮০ লাখ। তবে জন্মহারের নিম্নগতি চলতে থাকলে এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ দেশটির জনসংখ্যা ৫ কোটি ৩০ লাখে নেমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Advertisements

Check Also

দ্বিতীয় দফা লকডাউনে যুক্তরাজ্য

কঠিন পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্য। করোনার নতুন ধরনের ছোবল সামলে উঠতে পারছে না দেশটি। প্রতিদিন অর্ধলক্ষাধিক মানুষ …